বাগেরহাটে হজরত খানজাহান আলী (রহ.) এর মাজার সংলগ্ন দীঘি থেকে একমাত্র নারী কুমিরটি সরিয়ে নিয়েছে বন বিভাগ।

বুধবার (৩ জুন) দুপুরে দীঘির পূর্বপারের একটি পুকুর থেকে কুমিরটিকে ধরে খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

সকাল থেকে বন বিভাগ ও প্রশাসনের লোকজন মাজার এলাকায় অবস্থান নেয়। বেলা ১১টার দিকে কুমিরটির দেখা মিললে খাবারের প্রলোভন দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। প্রায় ৬০০ কেজি ওজনের কুমিরটিকে চোখ ও পা বেঁধে গাড়িতে তোলা হয়।

গত সোমবার এই কুমিরের আক্রমণে দীঘিতে গোসল করতে নামা এক শিশুর মৃত্যু হয়। এর আগেও একাধিক আক্রমণের ঘটনা রয়েছে। মঙ্গলবার রাতে জেলা প্রশাসনের জরুরি সভায় জননিরাপত্তার স্বার্থে কুমিরটি সরানোর সিদ্ধান্ত হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা কুলসুম বেহম বলেন, আগের কুমিরগুলো শান্ত ছিল। কিন্তু এই কুমিরটি খুব হিংস্র, এর ভয়ে দীঘিতে নামা যায় না।

কুমির বিশেষজ্ঞ আজাদ কবির জানান, রেসকিউ সেন্টারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কুমিরটি কোথায় অবমুক্ত করা হবে সে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বাগেরহাট সদর ইউএনও মোসা. আতিয়া খাতুন বলেন, জননিরাপত্তার স্বার্থেই কুমিরটি সরানো হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত আলোচনা করে জানানো হবে।