রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ফরেনসিক রিপোর্ট প্রস্তুত হয়েছে। রিপোর্টে মৃত্যুর আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়েছে সোহেল রানাই ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়।
শনিবার (২৩ মে) সিআইডির ফরেনসিক ইউনিট ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ প্রতিবেদন মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছে। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকেও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান জানান, ফরেনসিক রিপোর্টে জোরপূর্বক ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযোগপত্রের খসড়া তৈরি হয়েছে। এতে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। রোববার (২৪ মে) আদালতে অভিযোগপত্র জমা হতে পারে।
প্রধান আসামি সোহেল রানা গত বুধবার আদালতে ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন। জবানবন্দিতে ধর্ষণ ও হত্যার বর্ণনাও দেন।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ঈদের পর রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হবে।