সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা আনতে ‘ফ্যামিলি ট্রি’ নামে সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করছে সরকার। এতে সব মন্ত্রণালয়ের ভাতা এক প্ল্যাটফর্মে আসবে। ফলে একই ব্যক্তি বা পরিবারের একাধিক ভাতা পাওয়ার সুযোগ বন্ধ হবে।

সচিবালয়ে বাসসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ইউরোপ-আমেরিকার আদলে পূর্ণাঙ্গ ‘সোশ্যাল কার্ড’ চালুর লক্ষ্যে কাজ চলছে। ‘ফ্যামিলি ট্রি’ চালু হলে একক ডিজিটাল আইডির মাধ্যমে জানা যাবে কোন পরিবার কী সুবিধা পাচ্ছে। একটি কার্ড ও কিউআর কোড দিয়েই সব সামাজিক নিরাপত্তা সেবা মিলবে।

জুনের মধ্যে ৮০ হাজার মানুষকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। ধাপে ধাপে কর্মসূচি এগোচ্ছে। জুনেই পাইলটিং শেষ হবে। মাঠপর্যায়ের ভুলত্রুটি শুধরে স্থায়ী সমাধানের জন্য এ পাইলটিং করা হচ্ছে।

নতুন কার্ডের মাসিক ভাতা ২ হাজার ৫০০ টাকা। তবে ডাবল বুকিং বন্ধে যারা ৫০০ বা ১০০০ টাকার বয়স্ক বা বিধবা ভাতা পান, তাদের নতুন কার্ড নিতে হলে আগের ভাতা ছাড়তে হবে। ভবিষ্যতে কৃষক কার্ড, হেলথ কার্ডসহ সব সামাজিক নিরাপত্তা কার্ড একীভূত করতে জাতীয় নীতিমালা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সঠিক ব্যক্তির কাছে টাকা পৌঁছাতে প্রতিদিন ডেটা ফাইন্ডিং চলছে। ১৬ মে চাঁদপুরে দ্বিতীয় ধাপের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জুনে তৃতীয় ধাপে ১৮ উপজেলায় কর্মসূচি শুরু হবে। ‘প্রক্সি মিনস টেস্ট’ বা পিএমটি পদ্ধতিতে স্কোরিং করে অতিদরিদ্র পরিবার বাছাই করা হচ্ছে।

মাঠপর্যায়ে অনিয়ম নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন ফারজানা শারমীন। বলেন, সরকার ও উপকারভোগীর মাঝে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী সহ্য করা হবে না। কার্ডের নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ পেলেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি চলবে।