গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে “একটা অমানুষের দল” উল্লেখ করে মন্তব্য করেছেন।
শনিবার (১৬ মে) বিকেলে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, আমি গতকাল ঠিকই বলেছিলাম, জামায়াতে ইসলামী একটা অমানুষের দল! শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জামায়াতে ইসলামীকে রাজনীতিতে সুযোগ দিয়েছিলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সাথে রেখে মানুষ করতে চেয়েছিলেন! কিন্তু এরা অমানুষই রয়ে গেছে! এটার একটি প্রমাণ হলো, আজকে জামায়াতের আমির বললেন, ‘আগে ছিলো জাতীয়তাবাদী দল, এখন হয়েছে চাঁদাবাজ দল! মাথা থেকে পায়ের পাতা সবাই চাঁদাবাজ! আচ্ছা বলেন তো একটা দলের সবাই চাঁদাবাজ হতে পারে? সাদা দাড়ি রেখে আর মাথায় টুপি দিয়ে যারা মিথ্যা বলে, তাদেরকে আমি মানুষ নয়, অমানুষই মনে করি। এই দলটার আগা থেকে গোড়া, অমানুষে ভরা! একটা ইসলামি দল যদি এমন মিথ্যাচার করে ক্ষমতায় আসতে চায়, তবে তাদের জবাব ভালভাবে দেওয়ার সুযোগ নেই।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি একটি সার্বজনীন সমস্যা। এই সমস্যা দলের কতিপয় ব্যক্তি যেমন করে, দল না করা সন্ত্রাসীরাও করে। গণঅভ্যুত্থানের নায়ক হান্নান মাসুদ পর্যন্ত চাঁদাবাজদের ছাড়াতে থানা পর্যন্ত চলে যায়! বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বেশকিছু নেতার বিরুদ্ধে তো এমন অভিযোগ, এসব অভিযোগে কেউ কেউ গ্রেফতারও হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসে লুটপাটের মহা উৎসবে মেতেছিলো সরকার ঘনিষ্ঠ দল ও ব্যক্তিরা! জামায়াতে ইসলামী যদি ফেরেস্তাদের দল হয়ে থাকে তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কেন চায় না? তদন্ত হলে কি লুটপাটের খাতায় তাদের নামও আসতে পারে, এজন্য চুপচাপ?