মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, দেশটির উচিত ওয়াশিংটনের সঙ্গে কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানো, অন্যথায় তাদের ধ্বংসের মুখোমুখি হতে হবে। তিনি সরাসরি হুমকি দিয়ে বলেন, “তারা হয় চুক্তি করতে পারে, নয়তো নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।”
বুধবার (১৩ মে) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ব্রডকাস্ট নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি আশা করছেন ইরানি নেতৃত্ব তার এই বক্তব্য গুরুত্ব সহকারে দেখছে।
ইরানের সাম্প্রতিক সামরিক তৎপরতার দিকে ইঙ্গিত করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “তারা কী কী অস্ত্র মোতায়েন করেছে আমরা জানি। তারা ভূগর্ভ থেকে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র বের করেছে। কিন্তু জেনে রাখা ভালো, এসব স্রেফ একদিনের মধ্যেই ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হবে।”
তবে হুমকির পাশাপাশি ইরানি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে কিছুটা নমনীয় সুরও শোনা গেছে ট্রাম্পের কণ্ঠে। তাদের কূটনৈতিক ধারার বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গিতে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, “আমি মনে করি তারা আসলে অনেক দিক থেকেই অনেক বেশি যুক্তিবাদী।”
তিনি নাম প্রকাশ না করে কিছু নতুন ইরানি কর্মকর্তার বর্ণনা দিয়ে বলেন, “তারা প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরের কর্মকর্তাদের চেয়ে বেশি স্মার্ট, যারা এখন আর দায়িত্বে নেই।”
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশটির ভূখণ্ড থেকে সরিয়ে ফেলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, এটি নিরাপত্তার চেয়েও জনমতের বিষয়।
ট্রাম্প বলেন, “জনসংযোগের দৃষ্টিভঙ্গি ছাড়া আমি মনে করি না এটি খুব একটা প্রয়োজনীয়।” তিনি আরও যোগ করেন, “ভুয়া সংবাদমাধ্যমগুলোর জন্য এটি পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি। আমিই একমাত্র ব্যক্তি যে বলেছি- আমরা এটি নিয়ে আসবো।”