দেশের সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ও শিক্ষাবোর্ডের অধিভুক্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক বেতন বা টিউশন ফি আদায় করতে পারবে না।
কোনো প্রতিষ্ঠান এই নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এ তথ্য জানান।
মাউশির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের সকল মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রী বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ পাবে। সরকারি অনুমোদিত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে মাসিক বেতন দাবি করতে পারবে না।
নির্দেশনায় সতর্ক করে বলা হয়, যদি কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠান প্রধান বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর নিকট থেকে মাসিক বেতন (টিউশন ফি) আদায় করেন, তবে তা ‘বিধি ভঙ্গ’ হিসেবে গণ্য হবে। এমন ক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, জেএসসি, জেডিসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সরকারি মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা পাবেন।
নীতিমালা অনুসারে, বৃত্তিপ্রাপ্তদের মাসিক বৃত্তির পাশাপাশি বছরে একবার এককালীন অর্থ প্রদান করা হয়। এই বৃত্তির টাকা সরাসরি শিক্ষার্থীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করার বিধান রয়েছে।
এই নির্দেশনা যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে দেশের সকল শিক্ষা বোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), সকল সরকারি-বেসরকারি কলেজ, মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।