ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি সব বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। তবে প্রণালি দিয়ে যাওয়ার আগে জাহাজগুলোকে অবশ্যই ইরানের নৌবাহিনীর সাথে সমন্বয় করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের এক ফাঁকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বৈঠকে আরাঘচি সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের তথাকথিত ‘অবৈধ আগ্রাসনের’ নিন্দা জানানোর আহ্বান জানান।
নয়াদিল্লির বৈঠকের ফাঁকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ইরানের দৃষ্টিকোণ থেকে হরমুজ প্রণালি সব বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য উন্মুক্ত — তবে এর মধ্য দিয়ে যাওয়ার আগে জাহাজগুলোকে অবশ্যই ইরানের নৌবাহিনীর সাথে সমন্বয় করতে হবে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বিবৃতিটি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। কারণ বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহকারী এই সংকীর্ণ জলপথের সম্পূর্ণ অবরোধের আশঙ্কায় কয়েক মাস ধরে জ্বালানি বাজার অস্থির ছিল। তবে, বাধ্যতামূলক নৌ-সমন্বয়ের এই শর্তটি ইঙ্গিত দেয় যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান সংঘাতে তেহরান একটি কৌশলগত কার্ড হিসেবে সামুদ্রিক চলাচলের উপর দৃঢ় প্রভাব বজায় রাখছে।
আরাঘচি বলেছেন, “ইরান ব্রিকস সদস্য রাষ্ট্রগুলো এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সকল দায়িত্বশীল সদস্যকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের, যার মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে তাদের অবৈধ আগ্রাসনও অন্তর্ভুক্ত, সুস্পষ্ট নিন্দা জানানোর আহ্বান জানাচ্ছে।”