নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকাঃ রাজধানীর উত্তরা এলাকার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মেট্রো সার্কেল-৩ অফিসকে কেন্দ্র করে দালাল চক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজন সেবা গ্রহীতা ও স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন ফাইল ও যানবাহনের ফিটনেস সংক্রান্ত কাজে প্রভাব বিস্তার করে আসছে। তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এই প্রতিবেদনের পক্ষে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগে উঠে এসেছে, “মিজান” নামে পরিচিত এক ব্যক্তি নিজেকে কথিত “সিল কন্ট্রাক্টর” ও কখনও বিআরটিএ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিয়ে অফিসের আশপাশে প্রভাব বিস্তার করছেন। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, তিনি “তাহসিন কম্পিউটার” নামে একটি প্রতিষ্ঠানে বসে তার ছোট ভাই সুজনের মাধ্যমে বিভিন্ন ফাইলের কাজ পরিচালনা করেন।

একজন গাড়ির মালিক, যিনি নিজেকে “মানিক” নামে পরিচয় দেন, অভিযোগ করে বলেন, গত ৭ মে তিনি একটি গাড়ির ফিটনেস করাতে ৩ হাজার টাকায় এক ব্যক্তির সঙ্গে চুক্তি করেন। পরে অন্য একজন ২ হাজার টাকায় কাজ করে দেওয়ার প্রস্তাব দিলে তিনি সেটি গ্রহণ করেন। তার দাবি, এরপর তার গাড়ির ফিটনেস প্রক্রিয়া আটকে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যক্তি, যিনি নিজেকে অফিস-সংশ্লিষ্ট বলে পরিচয় দিয়েছেন, দাবি করেন যে নতুন উপপরিচালক সুব্রত কুমার দেবনাথের সময় এসব অনিয়ম বেড়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অতীতেও একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ ছিল। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে তিনি কোনো লিখিত প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সুব্রত কুমার দেবনাথ–এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
অন্যদিকে মোঃ শহিদুল্লাহ বলেন, “বিষয়টি চেয়ারম্যান স্যার জানেন। এ বিষয়ে আমি বিস্তারিত কিছু জানি না।”
এ ঘটনায় সেবা গ্রহীতাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা বিআরটিএ কার্যালয়ে দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।