ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (৬ মে) বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ এই রুল দেন। নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের শুনানি শেষে আদেশের জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন আদালত। শুনানিতে রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মো. মোস্তাফিজুর রহমান খান ও মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাসেদুল ইসলাম জনি।

উল্লেখ্য, গত ৪ মে হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ এই রিট শুনতে অপারগতা প্রকাশ করে কার্যতালিকা থেকে বাদ দেয়। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এবং মনিরা শারমিনের বাড়ি একই সংসদীয় আসনে হওয়ায় নৈতিক কারণে তিনি মামলাটি শুনেননি। পরে আবেদনটি বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুনানির জন্য যায়।

সংরক্ষিত নারী আসনে মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র গত ২৩ এপ্রিল বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। কারণ হিসেবে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ অনুযায়ী সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের তিন বছর পূর্ণ না হওয়ায় তিনি নির্বাচনের যোগ্য নন। এর বিরুদ্ধে ২৬ এপ্রিল ইসিতে আপিল করলে কমিশন তা খারিজ করে দেয়। পরে ৩০ এপ্রিল হাইকোর্টে রিট করেন মনিরা শারমিন।