বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে জঙ্গিবাদের কারখানা হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার (৫ মে) রাত পৌনে ৯টায় রাজধানীর হোটেল শেরাটনে ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করবো না। তাদের স্বাধীনতা দেবো। কিন্তু এমন স্বাধীনতা দেওয়া হবে না যে আরেকটা হলি আর্টিসান সৃষ্টি হয়। কিছুতেই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আর জঙ্গিদের কারখানা হতে দেবো না।”

তিনি বলেন, ১৯৯২ সালে বেগম খালেদা জিয়া যে ধারণা থেকে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আইন করেছিলেন, তার সুফল আজ পাওয়া যাচ্ছে। তবে ২০১০ ও ২০২৫ সালে এই আইন পরিবর্তন করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সরকারি প্রশাসনের অধীনে আনার চেষ্টা হয়েছে।

ক্রস-বর্ডার বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “চারটি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কীভাবে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে, তা আমি জানি না। আমাদের বসে কথা বলতে হবে, জানতে হবে, বুঝতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আশির দশকে মালয়েশিয়ার শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসত। আর আজ আমরা সেখানে পড়তে যাচ্ছি। তারা ব্রেন ড্রেইন করেনি, বরং রিভার্স ব্রেন ড্রেইন করেছে।”

অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এপিইউবি) আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এপিইউবি চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, শিক্ষাসচিব আবদুল খালেক এবং বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ শিক্ষাবিদরা।