সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩০০ জন সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

শুক্রবার, ১ মে বিকেলে চাঁদপুরের কচুয়া সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে উপজেলা পর্যায়ের প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘নিয়োগ পরীক্ষাটি কিছুটা তাড়াহুড়ো করে নেওয়ায় নানা প্রশ্ন উঠেছিল। তবে সব দিক বিবেচনায় নিয়ে কিছু সুনির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত এই শিক্ষকদের নিয়োগ কার্যক্রম খুব শিগগিরই বাস্তবায়ন করা হবে।’

শুধু নিয়োগই নয়, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি বদলি প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি ব্যবস্থাও দ্রুত কার্যকর হতে যাচ্ছে। তবে নিয়োগ ও বদলি প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি শিক্ষার মান নিয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না—শিক্ষকদের উদ্দেশে এমন কঠোর বার্তাও দেন তিনি।

প্রসঙ্গত, গত বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত ওই নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায় ১১ লাখ প্রার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে থেকে চূড়ান্তভাবে ১৪ হাজার ৩০০ জনকে নির্বাচিত করা হয়। কিন্তু নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দেরি হওয়ায় নির্বাচিত প্রার্থীরা কিছুদিন আগে ঢাকার শাহবাগে বিক্ষোভ করেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এর আগে আশ্বাস দিলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকায় প্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছিল।

অনুষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহসভাপতি নাজমুন নাহার বেবি, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুসাদ্দেক হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেলসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।