জ্বালানি বিতরণের জন্য ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের পরিধি বাড়িয়েছে সরকার।
রোববার (২৬ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়, ২৬ এপ্রিল থেকে ব্যক্তিগত গাড়ি ফুয়েল পাসের রেজিস্ট্রেশনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ‘ক’, ‘খ’ এবং ‘গ’ সিরিজের গাড়িগুলো ফুয়েল পাসে রেজিস্ট্রেশনের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
পর্যায়ক্রমে অন্য সিরিজের ব্যক্তিগত গাড়িও রেজিস্ট্রেশনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
অতিদ্রুত ঢাকার সব ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়িতেও ফুয়েল পাসের মাধ্যমে জ্বালানি দেয়া হবে। সংশিষ্ট সবাইকে ফুয়েল পাস অ্যাপ ডাউনলোড করে অথবা ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি রেজিস্ট্রেশনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
এর আগে গত ৯ এপ্রিল জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছিল, দেশব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা আনতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) কিউআর কোড ভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ নামে একটি অ্যাপ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে। অ্যাপটি প্রাথমিকভাবে মোটরসাইকেল মালিক বা চালকদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে পাইলটিং করা হয়।
পরে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অ্যাপটি উন্মুক্ত করা হয় মোটরসাইকেল চালকদের জন্য। এছাড়া ২১ এপ্রিল থেকে ঢাকার বেশকিছু ফিলিং স্টেশনে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের মাধ্যমে বাধ্যতামূলকভাবে মোটরসাইকেল চালকদের জ্বালানি সরবরাহের নির্দেশ দেয় জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
এদিকে, জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় ও ফুয়েল পাস চালুর পর থেকে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে ফিলিং স্টেশনগুলোতে। অধিকাংশ পাম্পে নেই যানবাহনের দীর্ঘ সারি, অপেক্ষা করতে হচ্ছে না অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য।
তবে অনেকেই বিপাকে পড়ছেন ফুয়েল পাস নিয়ে। সার্ভার জটিলতা আর সরকারের লিমিটি নির্ধারণের জন্য তেল পাচ্ছেন না বলে দাবি অনেকের। তারা বলছেন, সার্ভার জটিলতায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সার্ভার ডাউন দেখায়।
সরকারকে ফুয়েল পাসে তেলের লিমিট বাড়ানোর পাশাপাশি সার্ভার জটিলতার বিষয়ে নজর দেয়ার দাবি গ্রাহকদের।