শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘‘কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও অতিরিক্ত ফি আদায় করা হলে সেটা গ্রহণযোগ্য হবে না। যারা করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’
সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের হলরুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‘শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যেন অযাচিত কিছু চাপিয়ে না দেওয়া হয়, সে বিষয়ে কাজ চলছে।’’
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিগত সময়ে পাবলিক পরীক্ষার যে আইন ছিল, সে আইনে খাতা আপনি কখনো দেখতে পাবেন না। আপনি ফেল করেছেন মানে ফেলই করেছেন। আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, খাতার উপরের অংশ ঠিক থাকলেও ভেতরের পাতা পাল্টে দেওয়া হতো। এভাবে অনেক ছাত্রের ভাগ্যের বিভ্রান্তি হয়েছে। সেজন্য এবার খাতা দেখার আইন যুক্ত করা হয়েছে। এতে যদি পরীক্ষকও ভুল করে তা স্পষ্ট হবে। বিশেষ করে ছাত্রের আক্ষেপ দূর হবে।
শিক্ষামন্ত্রী ড.আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘‘ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা রয়েছে। আজ সময় না থাকায় সেটি পরিদর্শনে যেতে পারিনি। পরবর্তী এক সময় এসে তা পরিদর্শন করে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।’’
এ সময় ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রোকনুজ্জামান রোকনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সকালে নগরের টাউন হল তারেক স্মৃতি অডিটরিয়ামে আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষকদের অশোভন আচরণে অনুষ্ঠান বর্জন করেন সাংবাদিকরা।
পরে ভুল বুঝাবুঝির অবসান ঘটাতে বিকেলে সিটি করপোরেশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে বসেন মন্ত্রী। অনুষ্ঠানস্থলে সাংবাদিকদের সঙ্গে উত্তেজনা সৃষ্টিকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জেলা পুলিশ সুপারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।