বাণিজ্য, বস্ত্র, পাট ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ‘শুধু ব্যক্তি স্বার্থে নয়, দেশের সব মানুষের স্বার্থে যেন জ্বালানী ব্যবহারে আমরা সাশ্রয়ী হই। আমরা সাশ্রয়ী হয়ে যেন জ্বালানী সেভ করতে পারি। এতে আমরা মজুদকৃত জ্বালানী দীর্ঘ সময় ব্যবহার করতে পারবো। এটা করতে পারলে আমাদেরকে জ্বালানী কম আমদানি করতে হবে। আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা খরচও কম হবে। ’
শুক্রবার বিকেল ৫টায় নিজ বাসভবনে সিলেটের স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে সরকারি-বেসরকারি অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে যদি ঠিক করি যে আমরা সতর্ক থাকবো এবং অহেতুক বিপদে পড়বো না তাহলে সবই স্বাভাবিক থাকবে। ৬টার পর থেকে পিক আওয়ার শুরু হয়।
সেই সময়টা যদি আমরা বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারি তাহলে বাড়তি খরচ থেকে আমরা রক্ষা পাবো। ’
এলপিজি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি কারণ সম্পর্কে বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, ‘সৌদি আরবসহ যেসব জায়গা থেকে এলপিজি গ্যাস আমদানি করা হয়, সেখানেই দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে এলপিজি গ্যাসের দাম বেড়েছে। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত অর্থনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত জ্বালানী তেলের দাম স্থিতিশীল থাকবে। ’
জ্বালানি সংকটের কারণে শিল্পের উৎপাদন ব্যহত হবে কিনা এই প্রশ্নের জবাবে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘শিল্পের উৎপাদন জ্বালানির কারণে কমার সুযোগ নেই।
কারণ যে সমস্ত শিল্প গ্যাসের দ্বারা পরিচালিত হয় সেসব শিল্পে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করেই অন্য হিসাব করা হয়। সেভাবেই জ্বালানী মন্ত্রণালয় তার গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত রেখেছে। ’