ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের দেয়া বিবৃতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তেহরান। ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহান আবাদি এ কথা জানিয়েছেন।
গতকাল সকালে রাজধানীর ইরান দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, তাতে তাদের কিছু অসন্তোষ রয়েছে।
তার ভাষ্য, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ- যেমন স্পেন এবং এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও জনগণ ও কিছু কর্মকর্তা প্রকাশ্যে এ যুদ্ধের নিন্দা জানাচ্ছেন। রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ এ বিষয়ে অস্পষ্ট অবস্থান না রেখে আরো পরিষ্কার ও দৃঢ় অবস্থান নেবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ইরান ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে বিবেচনা করে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হোক- এটাই তেহরানের প্রত্যাশা।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে কেবল উদ্বেগ জানানো হয়েছে, কিন্তু তাদের মতে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি আগ্রাসী ভূমিকা পালন করছে, যা স্পষ্টভাবে নিন্দা করা উচিত। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের বিষয়টিও তারা বিবেচনায় রাখছে এবং এমন কিছু চায় না যাতে তাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা বাংলাদেশের ছয়টি জাহাজকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে ইরান। সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আটকে থাকা জাহাজগুলোর বিষয়ে ইতোমধ্যে তেহরানকে অবহিত করা হয়েছে এবং ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল সেগুলোকে সহায়তা দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে।
রাষ্ট্রদূত জানান, জাহাজগুলোর পূর্ণাঙ্গ তথ্য আগে না পাওয়ায় শনাক্তকরণে কিছুটা দেরি হয়েছে। তবে গত সপ্তাহে প্রয়োজনীয় স্পেসিফিকেশন হাতে এসেছে এবং এ নিয়ে কাজ চলছে।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, বাংলাদেশের জাহাজ চলাচলে কোনো সমস্যা হবে না এবং এ বিষয়ে ইরান সব ধরনের সহযোগিতা করবে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট ও পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনের বিষয়টি তেহরানকে জানানো হয়েছে, যাতে বাংলাদেশি জনগণ কোনো সমস্যায় না পড়ে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া যায়।
যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের নিয়মে পরিবর্তন আসতে পারে বলেও জানান তিনি। তার ভাষ্য, ‘ইনোসেন্ট প্যাসেজ’ নীতির আওতায় ভবিষ্যতে ইরানের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ এ পথ ব্যবহার করতে পারবে না- এ বিষয়ে সরকার ও সংসদ পদক্ষেপ নিচ্ছে।
রাষ্ট্রদূত দাবি করেন, চলমান সংঘাত শুধু ইরানের বিরুদ্ধে নয়, বরং ইসলামি বিশ্ব ও মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধেও একটি বৃহত্তর সংঘাত। তিনি জানান, সম্প্রতি ইরানে অবস্থানরত ১৮০ জনের বেশি বাংলাদেশিকে নিরাপদে দেশে ফেরাতে সহায়তা করেছে ইরান, যাদের অনেকেই বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই সেখানে ছিলেন।
তিনি বলেন, এসব বাংলাদেশিকে গ্রেফতার বা হয়রানি না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে নামমাত্র জরিমানা নিয়ে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইরানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের সঠিক সংখ্যা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, তালিকা পাঠানো হলে আটকে পড়াদের ফিরিয়ে আনতেও সহায়তা করবে তেহরান।
রাষ্ট্রদূত আরো জানান, জাহাজগুলোকে নিরাপদে ফেরাতে বাংলাদেশ সরকার ইরানের কাছে সহায়তা চেয়েছে এবং এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির বাস্তবতা বাংলাদেশসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলো বিবেচনায় নেবে।
এদিকে, ইরানে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে সহায়তা করায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া ১৫ দফা প্রস্তাব প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, যুদ্ধের মাধ্যমে যা অর্জন সম্ভব হয়নি, তা অন্যভাবে অর্জনের চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন।
তবে এ বিষয়ে ইরান এখনো কোনো জবাব দেয়নি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি।
তিনি আরো বলেন, ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে এমন সমাধান চায় যা দীর্ঘমেয়াদি শান্তি নিশ্চিত করবে এবং দেশের জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের নীতির সমালোচনাও করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে জনাব জাহান আবাদি বলেন, তার কথায় কেউ বিশ্বাস বা আস্থা রাখতে পারছে না। তিনি সকালে বলেন আমি জিতে গেছি, দুপুরে বলেন আলোচনা চলছে এবং বিকেলে বলেন ইরান ধ্বংস করে দেব।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আমাদের সাথে তো কোনো আলোচনা হয়নি, তাহলে তিনি কার সাথে আলোচনা করেন?
জলিল রহিমি বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পালাবার পথ খুঁজছেন। তিনি বলেন, এ যুদ্ধে ইরান আগে থেকে কোনো আক্রমণ করেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এ যুদ্ধ শুরু করেছে।
তবে যুদ্ধের এক মাস যেতে না যেতেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোলান্ড ট্রাম্প পালাবার পথ খুঁজছেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, আপনারা জানেন যে, আমেরিকার আগ্রাসনের পর আমরা এখন প্রায় এক মাসের বেশি সময় অতিক্রম করেছি। যখন এ যুদ্ধ শুরু হয়, তখন আমরা আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা ও সংলাপে ছিলাম। ওমানের মধ্যস্থতায় এ আলোচনা চলছিল এবং তা খুবই ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছিল; একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব ছিল।
তিনি বলেন, কিন্তু দুঃখজনকভাবে, আলোচনার মাঝামাঝি সময়ে ইসরাইলের উসকানিতে আমেরিকা হঠাৎ আমাদের ওপর হামলা চালায়।
একটি প্রবাদ আছে- কুকুর তার লেজ নাড়ায়; কিন্তু এখানে আমরা দেখছি উল্টোটা-লেজই কুকুরকে নাড়াচ্ছে। অর্থাৎ ইসরাইল আমেরিকা, উপসাগরীয় দেশগুলো এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে তার যুদ্ধবাজ নীতির জন্য ব্যবহার করছে।
জলিল রহিমি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আমেরিকা জোটবদ্ধ থাকে, ততক্ষণ তারা আক্রমণ করে; আবার যখন অস্ত্রের ঘাটতি আসে, তখন তারা শান্তির কথা বলে। এটা হতে পারে না যে, তাদের বিপদের সময় তারা যুদ্ধবিরতির কথা বলবে আর আমরা তা মেনে নেব।
রাষ্ট্রদূত বলেন, কিন্তু বাস্তবতা হলো-এ তথাকথিত পরাশক্তি আমাদের ওপর হামলা শুরু করার এক মাসের মধ্যেই যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজতে শুরু করেছে। তারা আমাদের অনেক নেতা ও সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে, কিন্তু আমরা দ্রুত তাদের পরিবর্তে নতুন নেতৃত্ব স্থাপন করেছি। আমাদের সক্ষমতা অটুট রয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা এখনও প্রতিদিন ইসরাইলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছি এবং আমাদের সামরিক শক্তি বহাল আছে। আমরা মধ্যপ্রাচ্যে অন্তত ১৪টি মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস করেছি। যেখানে যেখানে তারা আমাদের বিরুদ্ধে বৈঠক বা ষড়যন্ত্র করছে- হোটেল, বিমানবন্দর বা অন্য কোথাও-আমরা সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলছি।
তিনি বলেন, আমাদের সমস্যা হচ্ছে, আমেরিকায় বর্তমানে এমন একজন প্রেসিডেন্ট আছেন, যিনি নিজেকেও বোঝেন না এবং বিশ্ব পরিস্থিতিও সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারেন না।
জলিল রহিমি বলেন, আমেরিকার আগের প্রেসিডেন্ট তুলনামূলকভাবে বেশি বিচক্ষণ ছিলেন এবং ইসরাইলের প্ররোচনায় পড়েননি। কিন্তু ট্রাম্প সেই ভুলটি করেন। তিনি এই ফাঁদে পা দেন এবং এমন একটি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন, যেখান থেকে এখন বের হওয়ার পথ খুঁজছেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, আমাদের ওপর আমেরিকা ও ইসরাইলের হামলাকে শুধুমাত্র একটি সামরিক অভিযান বলা সঠিক হবে না। এটি একটি বিস্তৃত সাংস্কৃতিক, মানবিক, নিরাপত্তা, পরিবেশগত এবং অর্থনৈতিক আগ্রাসন-পুরো সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে একটি আক্রমণ।
তিনি বলেন, তাদের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তন করা। এর পাশাপাশি তারা সামরিক স্থাপনা ছাড়াও সাংস্কৃতিক নিদর্শন, ঐতিহাসিক স্থাপনা, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, ওষুধ উৎপাদন কেন্দ্র এবং খাদ্য উৎপাদন কেন্দ্রেও হামলা চালিয়েছে।
রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, বাস্তবে তারা বেসামরিক জনগণ, শিশু, নারী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকেও নির্মমভাবে আঘাত করেছে। অথচ একটি যুদ্ধ যদি শুধুমাত্র সামরিক লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হয়, তাহলে শিশু হত্যা, নারী নিধন, স্কুল-কলেজ বা ঐতিহাসিক স্থাপনায় হামলার কোনো যৌক্তিকতা থাকে না।
তিনি বলেন, যুদ্ধের একটি নীতি ও নৈতিকতা থাকে। যুদ্ধের নামে নিরীহ শিশু, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সাংস্কৃতিক কেন্দ্রকে টার্গেট করা গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু তাদের কর্মকা- প্রমাণ করে, তাদের উদ্দেশ্য কেবল সামরিক নয়-এর পেছনে আরো গভীর উদ্দেশ্য রয়েছে।
রাষ্ট্রদূত আরো জানান, আমাদের কাছে বহু ছবি ও প্রমাণ রয়েছে।
আমরা সেগুলো গণমাধ্যমের কাছে দিতে পারি, যাতে আপনারা দেখতে পারেন-কিভাবে তারা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, ঐতিহাসিক স্থাপনা ও সাধারণ জনগণের ওপর হামলা চালিয়েছে।
আমি প্রশ্ন করতে চাই-আমাদের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোতে কি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি হতো? আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কি ইউরেনিয়াম ছিল? নিষ্পাপ শিশুরা কি মধ্যপ্রাচ্যের জন্য কোনো হুমকি ছিল?
তিনি বলেন, এ যুদ্ধের অজুহাত হিসেবে তারা পারমাণবিক ইস্যু তুলে ধরছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি একটি ভিন্ন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আগ্রাসন। ইতিহাসে আমরা দেখেছি, যখন আমেরিকা আদিবাসীদের কাছ থেকে তাদের ভূমি দখল করছিল, তখন একটি প্রবাদ চালু ছিল- ভালো আদিবাসী মানে মৃত আদিবাসী। আজ একই মানসিকতা মুসলমানদের প্রতিও প্রয়োগ করা হচ্ছে।
তারা একদিকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান করে, বাইবেল, তাওরাত ও অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ পাঠ করে; অন্যদিকে মুসলিম বিশ্বের শক্তিকে ধ্বংস করার চেষ্টা চালায়।
তিনি আরো বলেন, আমরা আমাদের প্রতিবেশী মুসলিম দেশগুলোকে আগে থেকেই সতর্ক করেছিলাম-তারা যেন এই আগ্রাসনের অংশীদার না হয়। কিন্তু যদি তাদের ভূখ- ব্যবহার করে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়, তাহলে আমরা নীরব থাকব না।
দুঃখজনকভাবে, আমরা দেখছি কিছু আরব দেশের ঘাঁটি থেকে বিমান উড্ডয়ন করছে, ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হচ্ছে এবং সেই হামলায় আমাদের নারী ও শিশু নিহত হচ্ছে। আমরা এটি উপেক্ষা করতে পারি না।
রাষ্ট্রদূত জানান, এ যুদ্ধের প্রথম লক্ষ্য ছিল আমাদের রাষ্ট্রব্যবস্থা ধ্বংস করা। তারা ব্যর্থ হয়েছে। আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও প্রযুক্তি ধ্বংস করাও তাদের উদ্দেশ্য ছিল- সেখানেও তারা ব্যর্থ হয়েছে।
এ যুদ্ধে প্রকৃত বিজয়ী কে প্রশ্ন রেখে রাষ্ট্রদূত বলেন, তারা দাবি করছে যে, তারা বিজয়ী হয়েছে এবং আমাদের রাষ্ট্রব্যবস্থা পরিবর্তন করেছে। কিন্তু বাস্তবে তারা কি কোনো পরিবর্তন আনতে পেরেছে?
‘আমাদের জনগণ প্রতিদিন রাস্তায় নেমে এসেছে। সব মত, সব দল, সব ধর্মের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। আমাদের কর্মকর্তারাও জনগণের মাঝে উপস্থিত থাকছেন,’ যোগ করেন রাষ্ট্রদূত।
তিনি বলেন, তারা আমাদের হুমকি দিচ্ছে-পারমাণবিক হামলা করবে, পানি সরবরাহ বন্ধ করবে, ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করবে। কিন্তু আমরা ভয় পাই না; আমরা আমাদের বিশ্বাসে অটল।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ইরান সংস্কৃতিক কেন্দ্রের কালচারাল কাউন্সেলর সৈয়দ রেজা মীরমোহাম্মাদী, দূতাবাসের ফার্স্ট কাউন্সেলর ইসরাফিল আমিরী, দূতাবাসের মিডিয়া অফিসার খন্দকার মাহফুজুল হক ও ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পিআরও মোঃ ইকবাল হোসেন এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।