সিঙ্গাপুর ম্যাচ দিয়ে শেষ হচ্ছে বাংলাদেশের এবারের এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ব্যর্থ মিশন। শক্তি-সামর্থ্যে স্বাগতিকরা এগিয়ে থাকলেও জয় দিয়ে আসরের ইতি টানতে চান অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া।
সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ছয়টায় শুরু হবে ম্যাচ, যার মাধ্যমে শেষ হতে পারে হেড কোচ হাভিয়ের কাবরেরার বাংলাদেশ অধ্যায়।
সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে শেষ অনুশীলন করেছে টিম বাংলাদেশ, মূল স্টেডিয়ামের সবুজ গালিচায়। চিন্তিত হেড কোচ হাভিয়ের কাবরেরা। কারণ এই ম্যাচই হতে পারে লাল-সবুজের ডাগআউটে তার শেষ।
যদিও বিদায় নয়, এই ট্যাকটিশিয়ানের ভাবনায় এখন শুধুই সিঙ্গাপুর ম্যাচ।
স্প্যানিয়ার্ডকে ছাড়া আর কিছু হারানোর ভয় নেই জামাল-হামজাদের। ৫ ম্যাচে এক জয়ে আগেই এশিয়ান কাপ বাছাই থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ।
তবে ঘরের মাঠে পাওয়া হারের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ আছে তাদের সামনে। গেল জুনে ঢাকায় ২-১ গোলে জিতে গিয়েছিল ‘দ্য লায়ন্স’।
কঠিন পরীক্ষার আগে সেরা একাদশ নিয়ে ভাবনায় আছে বাংলাদেশ। কার্ড জটিলতায় নেই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মণ ও উইঙ্গার রাকিব।
ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে যাদের অভাব হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন হেড কোচ।
নির্ভার, টপ ফর্মে থাকা সিঙ্গাপুর অপরাজিত থেকে সি গ্রুপ থেকে নিশ্চিত করেছে চূড়ান্ত পর্বের টিকিট। ইতিহাসও স্বাগতিকদের পক্ষে। তিন দেখায় কোনোবারই বাংলাদেশ তাদের হারাতে পারেনি। কাকতালীয়ভাবে প্রতিবারই ২-১ গোলে জয় পেয়েছে সিঙ্গাপুর।
পরিস্থিতি প্রতিকূলে থাকলেও কুয়ালালামপুর ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে হামজা-সোমিতদের উৎসাহ দিতে প্রস্তুত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যদিও ৫৫ হাজারের মধ্যে লাল-সবুজের সমর্থকদের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে মাত্র ৬ হাজার টিকিটি।