সরকার চতুর্থ শ্রেণি থেকেই খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান সরকার খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।

 

ছেলে মেয়েরা ছোটবেলা থেকেই যাতে খেলাধুলার সুযোগ পায় এ জন্য শিক্ষা কারিকুলামে ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

 

সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে তেজগাঁওয়ের নিজ কার্যালয়ে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়াকার্ড বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে দেশের ১২৯ ক্রীড়াবিদের হাতে ক্রীড়া ভাতা, ক্রীড়া কার্ড ও মেডেল তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রথমবারের মতো বেতন কাঠামোর আওতায় এলেন এই ক্রীড়াবিদরা। মাসিক বেতন হিসেবে তারা প্রত্যেকেই এক লাখ টাকা করে পেয়েছেন।

 

প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপে বাটন প্রেস করার সঙ্গে সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে যায়।

নিজের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমরা চাই, আমাদের সন্তানেরা পড়ালেখার পাশাপাশি ছোটবেলায় নিয়মিত খেলাধুলায়ও আগ্রহী এবং পারদর্শী হয়ে উঠবে।

 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও ইতোমধ্যেই খেলাধুলাকে অন্তর্ভুক্ত করে শিক্ষা কারিকুলাম পরিমার্জনের কাজ শুরু করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে ক্রীড়া কেবল শখ বা বিনোদন নয় বরং বিভিন্ন দেশে দেখি ক্রীড়াটা কিন্তু একটা পেশা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অ্যাকাউন্টিং, ইঞ্জিনিয়ারিং বা আইন যেমন পেশা, ঠিক তেমনি ক্রীড়াও একটি পেশা হিসেবে গড়ে উঠেছে।

 

পৃথিবী যখন এভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, নিশ্চয়ই বাংলাদেশও অবশ্যই পিছিয়ে থাকতে পারে না।

প্রধানমন্ত্রী জানান, শুধু ক্রিকেট বা ফুটবল তা নয়, অন্য খেলাগুলোকেও আমরা সামনে এগিয়ে নিতে চাই। সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতার মাধ্যমে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক মঞ্চে উপস্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

আশা করব আমাদের খেলোয়াড়দেরকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার জন্য বেসরকারি যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে তারাও সরকারের পাশাপাশি এগিয়ে আসবেন।