ক্রিকেটারদের জন্য সমালোচনা-কটুক্তির একটাই জবাব, সেটা হলো পারফর্মেন্স। অফফর্মে থাকলে লিটন দাস সমালোচকদের পছন্দের নিশানায় থাকেন। এই তরুণ ওপেনার আজ সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে সব সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দিয়েছেন। ৪১তম ওভারে রশিদ খানকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ক্যারিয়ারের পাঁচ নম্বর সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ওপেনার।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে এটা তার প্রথম সেঞ্চুরি। ক্যারিয়ারের পাঁচ নম্বর সেঞ্চুরি হাঁকাতে লিটন আজ খেলেছেন ১০৭ বল, হাঁকিয়েছেন ১৪টি বাউন্ডারি। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৪১ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ২ উইকেটে ২৩৩ রান। তৃতীয় উইকেট জুটি ছুঁয়েছে ১৫০*। মুশফিক অপরাজিত ৬৯* রানে।

আজ শুক্রবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরু পায় বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল এবং লিটন দাস দুজনেই সাবলীল খেলছিলেন। ফরিদকে চোখ ধাঁধানা বাউন্ডারি মেরে রানের খাতা খোলেন লিটন। হাতে প্রথম পাঁচ ওভারে বিনা উইকেটে আসে ৩১ রান। জুটি যখন জমে উঠেছে, দলীয় ৩৮ রানে ঘটে ছন্দপতন। সেই ফজলহক ফারুকীর বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন ২৪ বলে ১২ রান করা তামিম। লিটন দাসের সঙ্গী হন সাকিব। দুজনে দেখেশুনে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন। জুটিতে ৪৫ রান আসতে ফের ছন্দপতন।

ক্রমেই জমে ওঠা জুটিতে ভাঙন ধরান রশিদ খান। তার বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন ৩৬ বলে ২ চারে ২০ রান করা সাকিব আল হাসান। ১৫.২ ওভারে ৮৩ রানে দ্বিতীয় উইকেটের পতন। লিটনের সঙ্গী হয়ে প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ মুশফিক আজ সাবলীল খেলছিলেন। ২৫তম ওভারে নবীর তৃতীয় বলে স্কয়ার লেগ দিয়ে চার মেরে ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি তুলে নেন লিটন। এতে তার সময় লেগেছে ৬৫ বল, মেরেছেন ৮টি চার। বাংলাদেশি ব্যাটারদের দ্রুত আউট করতে ইনিংসের অর্ধেক পথেই সাত বোলার ব্যবহার করেছে আফগানিস্তান। তবে এতে বিশেষ কিছু লাভ হয়নি। লিটনের পর মুশফিকও ফিফটি পূরণ করেছেন। ৩৪তম ওভারে রশিদ খানকে বাউন্ডারি মেরে ক্যারিয়ারের ৪১তম ফিফটি পূরণে মি. ডিপেন্ডেবল খেলেছেন ৫৬ বল, হাঁকিয়েছেন ৬টি বাউন্ডারি।