টানা ৭ দিনের ঈদের লম্বা ছুটির তৃতীয় দিনে পদ্মা সেতু ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় (দুই দিন) পদ্মা সেতুর দুই প্রান্ত দিয়ে ৮০ হাজার ৪০২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে প্রায় ৯ কোটি টাকা টোল আদায় হয়েছে।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত সচিব (পরিচালক প্রশাসন) মো. আলতাফ হোসেন শেখ গণমাধ্যমকে জানান, মুন্সিগঞ্জের মাওয়া দিয়ে পদ্মা সেতুতে প্রতি মিনিটে উঠছে ৪৫ থেকে ৫০টি যানবাহন।
ঈদের ছুটির প্রথম দিন গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে বুধবার রাত ১২টা ৪৮ ঘণ্টায় সেতুর উভয় প্রান্ত হয়ে পদ্মা সেতুতে উঠেছে ৮০ হাজার ৪শ ২টি যানবাহন। এতে সেতুর উভয় প্রান্তে টোল আদায় হয়েছে প্রায় ৯ কোটির টাকার কাছাকাছি।
বৃহস্পতিবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের চাপ বাড়লেও কোথাও কোনো যানজট বা ভোগান্তির খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার থাকায় যাত্রা নির্বিঘ্ন হচ্ছে।
সেতু এলাকায় ১৮১টি সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং করা হচ্ছে সার্বিক পরিস্থিতি।
যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি কথা জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশের ৫ শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
পদ্মা উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মো. আক্তার হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের পদ্মা সেতু এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে।
যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং যাত্রী হয়রানি রোধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানান তিনি।