লক্ষ্য ছিল ১৭৭ রানের। মামুলি নয় একেবারে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা পাত্তাই দিলো না ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। আহমেদাবাদে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের ম্যাচে ৯ উইকেট আর ২৩ বল হাতে রেখে ক্যারিবীয়দের হারালো এইডেন মার্করামের দল।

টানা দ্বিতীয় জয়ে সেমিফাইনালের খুব কাছে চলে এলো দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম ম্যাচে জয়ের পর এবার বড় হার দেখলেও এই গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানেই আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ওপেনিং জুটিতেই রান তাড়ার ভিত পেয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। মার্করাম আর কুইন্টন ডি কক ৪৮ বলে তুলে দেন ৯৫ রান। হাফসেঞ্চুরির দোরগোড়ায় এসে ফেরেন ডি কক। ২৪ বলে ৪টি করে চার-ছক্কায় করেন ৪৭ রান।

এরপর রায়ান রিকেলটনকে নিয়ে মার্করাম ৫০ বলে ৮২ রানের আরেকটি বড় জুটিতে ম্যাচ বের করে নিয়ে আসেন। রিকেলটন ২৮ বলে ৪৫ রানে অপরাজিত থাকেন। ৪২ বলে হার না মানা ৮২ রানের ইনিংসে ৭টি চার আর ৪টি ছক্কা হাঁকান মার্করাম।

এর আগে ৮৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে একশর আগেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেখান থেকে জেসন হোল্ডার আর রোমারিও শেফার্ডের জুটিতে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ক্যারিবীয়রা। ৮ উইকেট হারিয়ে গড়ে ১৭৬ রানের পুঁজি।

আহমেদাবাদে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিলেন শাই হোপ আর ব্রেন্ডন কিং। কিন্তু হোপ ৬ বলে ১৬ করে আউট হওয়ার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিং করেন ১১ বলে ২১।

মাঝে সিমরন হেটমায়ার (২), রভম্যান পাওয়েল (৯), রস্টন চেজরা (২) দাঁড়াতেই পারেননি। ৮৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে ক্যারিবীয়রা।

সেখান থেকে জেসন হোল্ডার আর রোমারিও শেফার্ড ৫৭ বলে ৮৯ রানের জুটিতে দলকে টেনে তোলেন। শেষ ওভারে এসে আউট হন হোল্ডার, ১ রানের জন্য মিস করেন ফিফটি। ৩১ বলে ৪৯ রানের ইনিংসে ৪টি বাউন্ডারি আর ৩টি ছক্কা হাঁকান তিনি।

ইনিংসের শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ফিফটি পূরণ করেন শেফার্ড। ৩৭ বলে ৩ চার আর ৪ ছক্কায় তিনি অপরাজিত থাকেন ৫২ রানে।

দক্ষিণ আফ্রিকার লুঙ্গি এনগিদি ৩টি, কাগিসো রাবাদা আর করবিন বসচ নেন ২টি করে উইকেট।