বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পর্তুগালের ভিসা নেওয়ার জন্য যান। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন এক নারী, যিনি তার আত্মীয় বলে জানা গেছে।

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাহদী হাসান এবং তার সঙ্গে থাকা নারী কনট প্লেসের একটি বেসরকারি ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র থেকে পর্তুগালের ভিসার আবেদন করেছিলেন। ভারতের জন্য ভিসা প্রয়োজন হওয়ায় তারা ভারতীয় দূতাবাস থেকেও অনুমোদন পেয়ে গিয়েছিলেন।

মাহদী হাসান ও তার আত্মীয় নয়াদিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকার একটি হোটেলে উঠেছিলেন। ভিসা কেন্দ্রের মধ্যে কেউ তাদের ভিডিও রেকর্ড করেছিলেন। ভিডিও থেকে জানা যায়, মাহদীকে চিহ্নিত করা হয়, এবং তারপর বিভিন্ন অজানা নম্বর থেকে ফোন আসতে শুরু করে, যা তাকে চিন্তায় ফেলেছিল।

ভিসা কেন্দ্রে উপস্থিতির পর মাহদী প্রথমে পুরোনো দিল্লির জামা মসজিদ এলাকায় যান এবং আশ্রয় খোঁজার চেষ্টা করেন। কেউ তাকে সেখানে থাকার অনুমতি দেননি। এরপর ঢাকা ফেরার আগে মাহদী দিল্লিতে কয়েকটি জায়গায় যান।

বিবিসি বাংলার দুই সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মাহদী হাসান দিল্লি থেকে পর্তুগালের লিসবনে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। তার সঙ্গে থাকা নারী তার আত্মীয় ছিলেন।

মাহদী হাসান ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে দিল্লি থেকে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। ইমিগ্রেশন কাউন্টারে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং ভারত যাত্রার সময় হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেন।