নুরুল ইমরান, প্রিয় আলো: দেশের শীর্ষস্থানীয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসি নিউজে জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক হিসেবে যোগ দিয়েছেন অনুসন্ধানী সাংবাদিক আনজাম খালেক।
প্রায় এক যুগের সাংবাদিকতা জীবনে মাঠপর্যায়ের রিপোর্টিং, অনুসন্ধানী সংবাদ পরিবেশন এবং পেশাদারিত্বের মাধ্যমে তিনি একজন দক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য সাংবাদিক হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন। বিশেষ প্রতিবেদন ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড, স্পেশাল রিপোর্ট অ্যাওয়ার্ড ও সেরা সাংবাদিকের অ্যাওয়ার্ডসহ একাধিক সম্মাননা লাভ করেছেন।
ডিবিসি নিউজে যোগদানের আগে তিনি গ্লোবাল টেলিভিশনে বিশেষ প্রতিবেদক হিসেবে টানা তিন বছর দায়িত্ব পালন করেন। এর পাশাপাশি এসএ টিভি, সময় টেলিভিশন, আনন্দ টিভি, একুশে টেলিভিশন ও ভয়েস টিভিসহ দেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। এসব গণমাধ্যমে কাজ করার সময় তিনি একাধিক অনুসন্ধানী ও প্রভাবশালী প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন, যা জনস্বার্থ সংরক্ষণ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
সাংবাদিকতা জীবনের শুরু থেকেই তিনি স্থানীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। চুয়াডাঙ্গার জনপ্রিয় দৈনিক মাথাভাঙ্গা পত্রিকাসহ বিভিন্ন স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে কাজ করার মাধ্যমে তিনি সাংবাদিকতা পেশার প্রাথমিক ভিত্তি গড়ে তোলেন।
পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাংবাদিকদের অধিকার ও কল্যাণ প্রশ্নেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন। সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করা সংগঠন ইউনাইটেড মিডিয়া ফোরাম-এর আহ্বায়ক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। সাংবাদিক সমাজের ন্যায্য দাবি ও পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় তার এই ভূমিকা সংশ্লিষ্ট মহলে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়িত হয়েছে।
ব্যক্তিগত জীবনে আনজাম খালেক চুয়াডাঙ্গা জেলার কৃতিসন্তান। চুয়াডাঙ্গা শহরের বাগানপাড়া এলাকার এই সন্তান স্থানীয় পর্যায় থেকে জাতীয় গণমাধ্যমে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করে তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
তার এই যোগদানে ডিবিসি নিউজের সংবাদ বিভাগ আরও শক্তিশালী ও কার্যকর হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষ করে অনুসন্ধানী ও বিশেষ প্রতিবেদনে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে আনজাম খালেকের পেশাগত জীবনে আরও দায়িত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়ের সূচনা হলো, যা ডিবিসি নিউজের পাশাপাশি দেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।