ইনিংসের শুরুতে নেমে ১৭তম ওভার পর্যন্ত তামিম ইকবাল এক প্রান্তে ছিলেন দেয়াল হয়ে। আর অন্য প্রান্তে ছিল ব্যাটসম্যানদের আসা যাওয়ার মিছিল। তাইতো একপাশ আগলে রেখে সময়োপযোগী ফিফটির পরও ফরচুন বরিশালকে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে পারেনি মিনিস্টার ঢাকা।
শুক্রবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে লড়াইয়ে নামে ঢাকা-বরিশাল। টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রান করে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল।
৯ চার ও ১ ছয়ে ৫০ বলে সর্বোচ্চ ৬৬ রান করেন তামিম। ৪৮ বলে ৮ চারে এই বাঁহাতি ওপেনার দেখা পেয়েছিলেন ফিফটির। ২৭ বল খেলে ২১ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন শুভাগত হোম। এ ছাড়া আর কোনো ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের মুখ দেখেননি।
সিঙ্গেলস-ডাবলসের সঙ্গে বাউন্ডারি মেরে রানের চাকা সচল রেখেছিলেন তামিম। তবে সঙ্গে কাউকে পাননি হাল ধরার মতো। সে জন্য চ্যালেঞ্জিং রানের লক্ষ্যও দিতে পারেনি উড়তে থাকা সাকিবের দলকে।
নিজের জায়গায় ওপেনিংয়ে নেমে মোহাম্মদ নাঈম আজও ব্যর্থ। এর আগে তাকে কখনো দেখা টপ অর্ডারে, কখনো মিডল অর্ডারে আবার কখনো শেষে। কিন্তু নিজেকে হারিয়ে যেন খুঁজছেন তিনি। রান খরায় আগের ম্যাচে বাদও পড়েছিলেন। এই ম্যাচে ফিরে আউট হন ৯ বলে ৬ করে। বিপিএলে ৭ ম্যাচ খেলে তার ব্যাট থেকে আসে ৫০ রান।
নাঈমের মতো জহুরুল ইসলাম (২), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (৩) ও শামসুর রহমান ফেরেন দুই অঙ্কের ঘর ছোঁয়ার আগেই। একই হাল আজমতুল্লাহ ওমরজাই-কাইস আহমেদদেরও।
বরিশালের হয়ে সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট নেন শফিকুল ইসলাম, ডোয়াইন ব্রাভো ও মেহেদি হাসান রানা।