ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশে পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর মার্কিন সিনেট তার এই মনোনয়নে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এর আগে তিনি ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকার মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) পেশাদারদের জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম লিংকডইনে দেওয়া এক পোস্টে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
পোস্টে ক্রিস্টেনসেন লেখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের অনুমোদন পেয়ে আমি সম্মানিত এবং বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।’
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে পুনরায় কাজ করার সুযোগ পাওয়া তার জন্য বড় সম্মানের বিষয়।
গত ২৩ অক্টোবর ওয়াশিংটন ডিসিতে নিজের মনোনয়ন শুনানিতে অংশ নিয়েছিলেন ক্রিস্টেনসেন। সেখানে তিনি সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটিকে বলেন, ‘আমার ফরেন সার্ভিস জীবনে বাংলাদেশ বিষয়ে মার্কিন নীতি নিয়ে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ঢাকায় আগের দায়িত্ব পালনকালে আমি এখানকার গুরুত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ সম্পর্কে গভীরভাবে অবগত হয়েছি।’
শুনানিতে ক্রিস্টেনসেন তার অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ করে বলেন, যদি রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পান তবে বাংলাদেশ সরকার এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিলে রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই ও কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করতে কাজ করবেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে মার্কিন দূতাবাসের কর্মীদের যোগ্য নেতৃত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন একজন অভিজ্ঞ কূটনীতিক, যিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আগে থেকেই সম্যক ধারণা রাখেন। তার নিয়োগ দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।