দক্ষিণী সিনেমা কান্তারার বিজয় রথ থামছেই না। সাত দিনে ৪০০ কোটি রুপি পকেটে তুলে নিয়েছে সিনেমাটি। হলে লাইন ধরেছেন দর্শক। তবে সিনেমাটির ওপর ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে ব্যবসার অভিযোগ এনেছেন কর্ণাটকের দৈব উপাসকরা। সেখানকার এক মন্দিরে জমায়েত হয়ে প্রতিবাদ করেছেন তারা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী দৈব উপাসকদের অভিযোগ, কোটি কোটি মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে ব্যবসা করছে ঋষভ শেঠি পরিচালিত এই সিনেমা। পাশাপাশি ছবিটির বিরুদ্ধে ‘সাংস্কৃতিক দূষণে’র অভিযোগ তুলে কর্ণাটকের উপকূলবর্তী অঞ্চল তুলুনাড়ুতে ব্যাপক বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ছবিতে দৈব উপাসক কিংবা দৈব নৃত্যশিল্পীদের চরিত্র চিত্রায়ণ নিয়েই আপত্তি তুলেছেন তারা। 

তাদের দাবি, পর্দায় ঈশ্বরের প্রাচীন পূজাপদ্ধতি ‘ধইবর্ধনে’ (ভুটা কোলা) নৃত্যকলা দেখে দর্শকদের একাংশ তাকে বিকৃত কিংবা উপহাস করার চেষ্টা করছেন। শোনা যায়, কর্ণাটক এবং কেরলে তুলু ভাষাভাষীর মানুষেরা ঈশ্বরকে তুষ্ট করতে পুজোর সময় এই নৃত্যশৈলী অনুসরণ করেন। আর সিনেমার পর্দায় সেই নৃত্যশৈলী দেখে সেটা অনুকরণ করার চেষ্টা করছেন একাংশ। দিন কয়েক আগে দৈব সাজে কান্তারা দেখতে এসে কটাক্ষের মুখে পড়েছিলেন এক অনুরাগী। এবার ঋষভের সিনেমার বিরুদ্ধে একজোট কর্ণাটকের দৈব উপাসকরা।

ম্যাঙ্গালুরুর বাজপের কাছে পেরারা ব্রহ্মা বলবন্দি এবং পিলিচন্ডির মন্দিরে ‘দৈবরাধাকস’রা (দৈব উপাসক) সম্মিলিতভাবে ‘কান্তারা চ্যাপ্টার ওয়ান’-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। তাদের অভিযোগ, দেবতাদের দেবতাদের দৃশ্য দেখিয়ে আধ্যাত্মিক চর্চার উপহাস করা হয়েছে। ছবিটির বিরুদ্ধে মন্দিরে অভিযোগপত্রও জমা দেওয়া হয়েছে। 

১২৫ কোটি বাজেটে নির্মাণ করা হয়েছে ‘কান্তারা চ্যাপ্টার ওয়ান’। এতে অভিনয় করেছেন ঋষভ, জয়রাম, গুলশন, রুক্মিণী প্রমুখ।