উত্তরাঞ্চলে পেট্রোল পাম্পে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার

Petrol Pamp
১১০

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের পেট্রোল পাম্পগুলোতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছে পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বগুড়া জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর পেট্রোল পাম্পের মালিকরা এই ঘোষণা দেন।

ধর্মঘটের কারণে আজ বুধবার সকাল ৮টা থেকে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের প্রায় ৮০০ পেট্রোল পাম্পে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল উত্তোলন এবং সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ থাকা কারণে বাইক চালক ও পরিবহন শ্রমিকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। পেট্রোল পাম্পগুলোতে বাইক, কার, মাইক্রো, পিকআপ, ট্রাক, বাস থামিয়ে ভিড় করেন চালক ও শ্রমিকরা। তবে মেলেনি জ্বালানী। এতে গন্তব্যে পৌঁছতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। বিশেষ করে অফিসগামীরা পড়েন বিপাকে।

এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয়। এতে বলা হয়, নওগাঁ জেলার সড়ক ও জনপথ বিভাগ কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা, নোটিশ বা চিঠি না দিয়ে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। এর প্রতিবাদে রংপুর ও রাজশাহীতে অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল উত্তোলন-বিপণন বন্ধ এবং পরিবহন ধর্মঘট পালন করা হবে।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নওগাঁর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নূরে আলম সিদ্দিক বলেন, সান্তাহারে উচ্ছেদ অভিযান চলেছে। ওই এলাকাটি বগুড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন। কিন্তু ভুলকরে নওগাঁ বলা হচ্ছে। আমি যতদূর জানি, নোটিশ মাইকিংসহ যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করেই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

বগুড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, নিয়ম মেনেই হাইওয়ের পাশে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছি। গত ২৪ জানুয়ারি পত্রিকায় আমরা উচ্ছেদ অভিযানের গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছি। এরপরও সেখানে লাগাতার মাইকিং করা হয়েছে।