রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটি পুনর্গঠন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

কমিটিতে রয়েছেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী-১ এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ), পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক।

কমিটিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা প্রধান সমন্বয়ক ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই কমিটি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন-সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং আন্তঃসংস্থা বাস্তবায়ন তদারকি করবে। পাশাপাশি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংস্থাগুলোর কার্যপরিধি ও ক্ষেত্র নির্ধারণের দায়িত্বও পালন করবে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধান সমন্বয়কের সরাসরি তত্ত্বাবধানে রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়নের জন্য সদস্যসচিব একটি পর্ষদ গঠন করবেন।

এই পর্ষদ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সুনির্দিষ্ট করণীয় নির্ধারণসহ রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য ‘রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল’ প্রণয়ন করবে। আগামী তিন মাসের (৯০ দিন) মধ্যে এই কর্মকৌশল প্রণয়ন করে কমিটির কাছে উপস্থাপন করতে হবে।

কমিটিকে সহায়তা করবেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের (আরআরআরসি) কমিশনার; স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি)-এর অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক; বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন); জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পরিচালক (সীমান্ত); সোশ্যাল স্ট্যাবিলিটি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (এসএসআইবি) পরিচালক।