‘জিয়ার আদর্শে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৩৫

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (৩০ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে কবর জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আজকের দিনটি বিএনপি এবং দেশের গণমানুষের জন্য অত্যন্ত দুঃখভারাক্রান্ত ও স্মৃতিময়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমৃত্যু বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অগ্রগতির অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে অনন্য ভূমিকা পালন করে গেছেন। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে তার যে ঐতিহাসিক উত্থান ঘটেছিল, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে গিয়েই তিনি শাহাদাত বরণ করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রের মূল ঠিকানা হচ্ছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রদর্শিত পথ। আমরা এই গভীর শোককে শক্তিতে পরিণত করেছি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে সব মানুষের মধ্যে ইস্পাতকঠিন ঐক্য সৃষ্টি করে জাতীয় সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে হয়। আমরা তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের আদর্শের রাজনীতি করি।’

গণতন্ত্রের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন এই দেশটিকে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক ধারায় পরিচালিত করা হবে। ৫ আগস্টের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের চেতনার আলোকেই দেশের গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করা হবে।’

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগের কথা স্মরণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য তিনি সবচেয়ে বেশি লড়াই ও ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আমরা এখানে এসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশের সার্বিক কল্যাণের জন্য দোয়া করি এবং দেশ ও জনগণের সেবায় নতুন করে অনুপ্রাণিত হই।’