সব মামলায় জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক, মুক্তিতে বাধা কাটল

৫৯

জুলাই আন্দোলনের হত্যা ও রায় জালিয়াতির অভিযোগে হওয়া আরও দুই মামলায় জামিন পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। এতে আপাতত তার কারামুক্তিতে আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এর আগে জুলাই আন্দোলনের সময় যুবদলকর্মী হত্যা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগসহ দুদকের করা পাঁচ মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখে আপিল বিভাগ।

গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

তার বিরুদ্ধে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে শাহবাগ, ফতুল্লা ও বন্দর থানায় পৃথক মামলা হয়। এছাড়া প্লট জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগে দুদকও একটি মামলা করে।

নিম্ন আদালতে জামিন নামঞ্জুর হলে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন। গত ৮ মার্চ চার মামলায় এবং ১১ মার্চ দুদকের মামলায় জামিন পান। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরও ২৮ এপ্রিল আপিল বিভাগ জামিন বহাল রাখে।

এর মধ্যে যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানার হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সেসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে আবারও হাইকোর্টে আবেদন করলে আজ জামিন মঞ্জুর হয়।

২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এ বি এম খায়রুল হক। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। পরে তিনি তিন দফায় আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।