দ্বিতীয় ম্যাচেও বড় পরাজয়, থাইল্যান্ড সফরে পুরোপুরি ব্যর্থ ঋতুপর্ণারা

২২

থাইল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম প্রীতি ম্যাচে ৩-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ দল। তবে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। কিন্তু এবারেও ব্যর্থ হয়েছে মারিয়ারা। দ্বিতীয় ম্যাচে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ৫-১ গোলের ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ দল। এতে থাইল্যান্ড সফরে পুরোপুরি ব্যর্থ বাটলার বাহিনী।

সোমবার (২৭ অক্টোবর) ব্যাংককের চালেম ফ্রা কিয়াত স্পোর্টস সেন্টারে প্রথমার্ধ শেষে ৩-১ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে গিয়েছিল বাংলাদেশ দল। দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরার বিপরীতে আরও দুটি গোল হজম করে রুপনা চাকমারা। এতে ৫-১ গোলের বড় পরাজয় নিয়ে মাঠে ছেড়েছে বাংলাদেশ দল।

এদিন ১২ মিনিটে অধিনায়ক পেঙ্গামের গোলে এগিয়ে যায় থাইল্যান্ড। জিরাপোন মঙলির রক্ষণচেড়া পাস ধরে বেরিয়ে যান পেঙ্গাম; তাকে তাড়া করেও পাননি শামসুন্নাহার ও শিউলি। বক্সে ঢুকে আগুয়ান গোলকিপারকে পরাস্ত করে নিখুত শটে বাংলাদেশের জালে বল জড়ান পেঙ্গাম।

পিছিয়ে পড়ে পরপর তিনটি আক্রমণ করে বাংলাদেশের মেয়েরা। তবে কার্যকরী ফিনিশিং দেখা যায়নি। ২৩ মিনিটে হাইলাইন ডিফেন্সে বাংলাদেশের পাতা অফসাইডের ফাঁদ এড়িয়ে থাইল্যান্ডের হয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মংকোলদি। 

কাঞ্জনাপোর্ন সায়েনখুনের বাড়ানো লং পাসে আমলে নিতে সহজেই বাংলাদেশের দুই ডিফেন্ডার নবীরণ খাতুন ও আফঈদা খন্দকারকে পেছনে ফেরেন তিনি। তাকে ঠেকাতে এগিয়ে আসেন রুপনা চাকমা। মংকোলদিও বুদ্ধিদীপ্ত ফরোয়ার্ডের মতো রুপনার মাথার ওপর দিয়ে জালে পাঠান বল। 

২৯ মিনিটে পাওয়া প্রথম কর্নার থেকে ব্যবধান ২-১ এ নামিয়ে আনে বাংলাদেশ। মারিয়ার নেওয়া কর্নার কিকে লাফিয়ে শামসুন্নাহার জুনিয়র হেড নিলে বল পোস্টে লেগে জালে প্রবেশ করে। কিন্তু পাঁচ মিনিটের মধ্যে ফের ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় থাইল্যান্ড। 

লং পাস ধরে অনেকটা পেছন থেকে আফঈদা এবং শামসুন্নাহার সিনিয়রকে টপকে বলের নিয়েন্ত্রণ নিয়েই বাংলাদেশের জাল কাঁপান থাইল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ম্যাডিসন।  ৪০ মিনিটে আবারও বাংলাদেশ অধিনায়কের ভুলে গোল হজম করতে বসেছিল বাংলাদেশ। 

এই ডিফেন্ডারের পায়ের নিচ দিয়ে বল বের করেন প্রতিপক্ষের এক ফরোয়ার্ড। তবে রুপনার দারুণ সেভে ব্যবধান বাড়েনি।