ডাকসু, চাকসু ও জাকসুর প্রভাব রাকসুতে পড়বে না: ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী

৩৩

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ভোটে ডাকসু, চাকসু ও জাকসুর কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী শেখ নুর উদ্দীন আবির। 

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রহমতুন্নেছা হলের সামনে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, আশা করছি সুষ্ঠু, বিতর্কহীন ও প্রশ্নহীন নির্বাচন হবে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, আশা করবো আমাদের ক্যাম্পাসে এমন কোনো ঝামেলা সৃষ্টি যেন না হয়।

এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখানকার শিক্ষার্থীরা স্বাধীনচেতা। রাবিয়ানদের প্রতিনিধি তারাই ঠিক করবে। শিক্ষার্থীদের ভোটের মাধ্যমেই ছাত্রদের প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।

রাকসু নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, রাকসুর ২৩টি পদে প্রার্থী ৩০৫ জন, সিনেটে ৫টি ছাত্র প্রতিনিধি পদে প্রার্থী ৫৮ জন এবং ১৭টি হল সংসদে ২৫৫টি পদে প্রার্থী ৫৫৫ জন। মোট প্রার্থী ৮৬০ জন। নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ২৮ হাজার ৯০১ জন। ২৮ হাজার ৯০১ জন ভোটারের জন্য ২৮ হাজার ৯০১টি ব্যালট পেপারই ছাপানো হয়েছে। ভোটারদের মধ্যে নারী ভোটার ৩৯.১ শতাংশ এবং পুরুষ ভোটার ৬০.৯ শতাংশ।

ভোটগ্রহণ পরিচালনা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। মোট ২১২ জন শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন, যার মধ্যে ১৭টি কেন্দ্রে ১৭ জন প্রিসাইডিং অফিসার ও বাকিরা সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার। এ ছাড়া ৯১ জন কর্মকর্তা পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচনের ফলাফল প্রস্তুতের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ. নজরুল ইসলাম বলেন, সুদীর্ঘ ৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। রাকসু নির্বাচন আমাদের গৌরবময় ঐতিহ্যের প্রতীক। এটি শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক চর্চা, নেতৃত্ব বিকাশ ও দায়িত্ববোধ গঠনের এক অসাধারণ সুযোগ এনে দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য একটি অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া। এজন্য প্রতিটি ধাপে নির্বাচনকে বিতর্কমুক্ত রাখতে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতিটি কার্যক্রম সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে এবং স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হবে।