‘এক মিনিট চলচ্চিত্র উৎসবে’ তিন বিভাগে সেরা গোলাম রাব্বানীর ‘সাঁতার’

১২১

‘এক মিনিট পরিবেশ চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৬’-এ তিন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতেছে গোলাম রাব্বানীর চলচ্চিত্র ‘সাঁতার’।

বেস্ট এডিটর হিসেবে সানজিদ মাহমুদ, বেস্ট অ্যাক্টর হিসেবে মিজানুর রহমান এবং বেস্ট স্টুডেন্ট ফিল্ম ক্যাটাগরির পুরস্কার পায় ১ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই পরিবেশ বিষয়ক চলচ্চিত্রটি।

সোমবার (৮ জুন) বাংলাদেশ শিল্পকলা অ্যাকাডেমির ন্যাশনাল ফাইন আর্টস অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় বিজয়ীদের হাতে।

তিন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতে ছবিটির নির্মাতা গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘পুরস্কার তো জীবনে আনন্দ যোগ করে। এই অর্জন আমাকে পরবর্তী কাজে আরও যত্নবান হতে অনুপ্রাণিত করবে। ২ ঘণ্টার সিনেমা বানাতে যে আয়োজন, আমার ১ মিনিটের সিনেমাতেও একই আয়োজনের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। ১ মিনিটের সিনেমা নির্মাণ সত্যিই দারুণ চ্যালেঞ্জের বিষয়।’

বাংলাদেশে শুধুমাত্র মানবসৃষ্ট কারণে গত ৫৭ বছরে ১৫৮টি নদী শুকিয়ে গেছে। অনেক নদী হারিয়ে গেছে। এই বিষয়টিই রূপকভাবে সিনেমায় তুলে ধরেছেন নির্মাতা।

সেরা চিত্র সম্পাদকের পুরস্কার অর্জন করে সানজিদ মাহমুদ বলেন, ‘বিভিন্ন ফুটেজকে একসূত্রে গেঁথে একটি গল্প বলার চেষ্টা করেছি। বিচারকদের এই স্বীকৃতি আমার কাজের সফলতারই প্রতিফলন। এজন্য আয়োজক ও পুরো ‘সাঁতার’ টিমের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’

উৎসবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নির্বাচিত ১৭টি এক মিনিটের চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। ‘পজিটিভ বাংলাদেশ, প্রকৃতি ও পরিবেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে দর্শক ও বিচারকদের বিশেষ নজর কাড়ে ‘সাঁতার’।

‘সাঁতার’-এ অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়ে মিজানুর রহমান বলেন, ‘এত ছোট পরিসরের একটি চলচ্চিত্রের জন্য এমন স্বীকৃতি পাওয়া সত্যিই আনন্দের। এই অর্জনের পেছনে ‘সাঁতার’ টিমের প্রত্যেক সদস্যের অবদান রয়েছে। তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’

সাদিয়া রোশনি সূচনার সঞ্চালনায় উৎসবে সভাপতিত্ব করেন রেজাদুল্লাহ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উৎসব পরিচালক ও ঢেকি প্রযোজনা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা মো. নিজাম উদ্দিন।

পরবর্তী আলোচনা পর্বে অন্যদের মধ্যে অংশগ্রহণ করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক-প্রশিক্ষক আমির হামজা, ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়ার গ্রিন ফিল্ম অ্যাম্বাসেডর আকতানিন খায়ের তানিন এবং প্রতিযোগিতা জুরি সদস্য কাজী নওশাবা আহমেদ।