শনিবার ময়মনসিংহ সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৩৩

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার ময়মনসিংহ জেলা সফরে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ত্রিশাল এখন উৎসবের নগরী। এই আয়োজনে যোগ দিতেই প্রধানমন্ত্রীর সফর। তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ময়মনসিংহবাসী।

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে ত্রিশালসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, অনুষ্ঠানস্থল ও জনসমাগম এলাকায় শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে টানানো হয়েছে ব্যানার, ফেস্টুন ও তোরণ। নতুন সাজে সেজেছে ত্রিশাল পৌর শহর, সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠ, দারোগা বাড়ি ও আশপাশের এলাকা।

প্রশাসন জানিয়েছে, শনিবার (২৩ মে) দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী ত্রিশালের বৈলর ইউনিয়নে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ‘ধরার খাল’ বা বৈলর খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। সেখানে সুধী সমাবেশে তিনি বক্তব্য দেবেন।

দুপুর ২টায় নজরুল ডাকবাংলোয় সংক্ষিপ্ত বিরতির পর বিকেল ৩টায় সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠে জাতীয় কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী জাতীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। এ সময় কবি, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।

বিকেল ৫টায় নজরুল অডিটোরিয়ামে ময়মনসিংহ উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সড়কপথে ঢাকায় ফিরবেন তিনি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০০৬ সালের পর এবারই প্রথম জাতীয়ভাবে ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তী হচ্ছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নজরুল একাডেমি মাঠে বসেছে গ্রামীণ মেলা ও নজরুল বইমেলা। পাঁচ শতাধিক স্টল বসানো হয়েছে। মঞ্চ ও প্যান্ডেলের কাজ প্রায় শেষ। আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম, আলোকসজ্জা ও দর্শনার্থীদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বৈলর, নজরুল একাডেমি মাঠ ও নজরুল অডিটোরিয়ামসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। নিরাপত্তা, যান চলাচল ও অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় সার্বক্ষণিক কাজ চলছে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক বলেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে ত্রিশালের উন্নয়নের নতুন দুয়ার খুলবে। প্রধানমন্ত্রী জনগণের জন্য নতুন উন্নয়ন উপহার ঘোষণা করতে পারেন।