অনুমতি ছাড়া হজে ২০ হাজার রিয়াল জরিমানা, নিষেধাজ্ঞা ১০ বছর

২৪

বৈধ হজ পারমিট ছাড়া হজ পালন বা চেষ্টা করলেই গুনতে হবে সর্বোচ্চ ২০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা। বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে জরিমানার সঙ্গে যুক্ত হবে দেশ থেকে বহিষ্কার এবং পরবর্তী ১০ বছর পর্যন্ত সৌদি আরবে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা। অতিরিক্ত ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও হাজিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ কঠোর বিধি কার্যকর করেছে সৌদি সরকার।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের সৌদি আরবের হজবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অবৈধভাবে হজের চেষ্টা করলেই শুধু নয়, সহায়তাকারীদেরও কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে। অবৈধ হাজিদের পরিবহন, আবাসন বা অন্য কোনোভাবে সহযোগিতা করলে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ এক লাখ রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। জড়িত ব্যক্তির সংখ্যা বাড়লে জরিমানার অঙ্কও বাড়বে। এ বিধান ট্রাভেল এজেন্সি, আবাসন সেবাদাতা, যানবাহনের মালিক ও অবৈধ হাজিদের আশ্রয়দাতাদের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। প্রয়োজনে ব্যবহৃত যানবাহন আইনগত প্রক্রিয়া শেষে জব্দ করা হবে।

সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী, কেবল অনুমোদিত হজ পারমিটধারীরাই মক্কা ও পবিত্র স্থানগুলোতে প্রবেশ করতে পারবেন। সৌদিতে অবস্থানরত বাসিন্দাসহ সব হাজির জন্য এ নিয়ম প্রযোজ্য। জিলকদ মাসের প্রথম দিন থেকে জিলহজের ১৪ তারিখ পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। এ সময়ে ভিজিট ভিসাধারীরা বৈধ হজ অনুমোদন ছাড়া মক্কায় প্রবেশ বা অবস্থান করতে পারবেন না।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সব নাগরিক, বাসিন্দা ও ভিসাধারীকে বিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। আইন লঙ্ঘনের তথ্য প্রধান অঞ্চলগুলোতে ৯১ এবং অন্যান্য অঞ্চলে ৯৯৯ নম্বরে জানানো যাবে। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে অভিযান শুরু করেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া হজ পারমিট প্রচারের অভিযোগে মক্কায় একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।