১৬ ডিআইজিকে অবসর মন্ত্রণালয়ের রুটিন কাজ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২৭

পুলিশের ১৬ ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোকে মন্ত্রণালয়ের রুটিন কাজ হিসেবে বর্ণনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, নিয়োগ, বদলি, প্রমোশন বা শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা— এগুলো প্রতিদিনকার কাজ, এর কোনো সময়সীমা নেই।

সোমবার (৪ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

অপসারিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ আছে কি না— এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, এগুলো মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়। যাচাই-বাছাই করে দেখা হয়। কারও প্রতি যেন অবিচার না হয়, সেভাবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে ১৬ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরের তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তারা বিধি অনুযায়ী অবসর সুবিধা পাবেন এবং জনস্বার্থে আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ, সিআইডির ডিআইজি হাবিবুর রহমান, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি সালেহ মোহাম্মদ তানভীর, এনএসআইয়ের পরিচালক হারুন-অর-রশীদ, পুলিশ স্টাফ কলেজের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, পিটিসি নোয়াখালীর কমান্ড্যান্ট হায়দার আলী খান, পিটিসি খুলনার কমান্ড্যান্ট মাহবুবুর রহমান ভূইয়া, ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিআইজি রুহুল আমিন, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি রফিকুল হাসান গনি, নৌ-পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমান ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মজিদ আলী।

এছাড়া পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি কাজী জিয়া উদ্দিন, রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি গোলাম রউফ খান, পিটিসি রংপুরের কমান্ড্যান্ট রেজাউল হায়দার, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি রখফার সুলতানা খানম এবং রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদও তালিকায় রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার আরও ১৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।