মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রে পপ তারকা ব্রিটনি

৩০

যুক্তরাষ্ট্রের পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভর্তি হয়েছেন। তিনি স্বেচ্ছায় পুনর্বাসনে ভর্তি হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে বিনোদন ম্যাগাজিন ভ্যারাইটি।

গেল মাসে তিনি মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর কারণে গ্রেফতার হয়েছিলেন। এরপরই তিনি পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

সংবাদমাধ্যম থেকে বেশ কিছুদিন ধরে দূরে আছেন নব্বই দশকের শেষে ‘টিন আইকন’ হিসেবে খ্যাতি পাওয়া স্পিয়ার্স। তার সবশেষ অ্যালবাম ‘গ্লোরি’ বাজারে আসে ২০১৬ সালে। টেক্সাসে ২০১৮ সালে তাকে সবশেষ কনসার্টে দেখতে পান ভক্তরা।

‘পিস অফ মি’ শীর্ষক ওই কনসার্টের পর মিডিয়ায় উপস্থিতি একেবারে কমিয়ে দেন স্পিয়ার্স।

২০১৯ সালে লাস ভেগাসে তার কনসার্ট করার কথা থাকলেও তিনি সেটি বাতিল করে দেন।

২০২১ সালে বাবা জেমি স্পিয়ার্সের বিপক্ষে নিজের অভিভাবকত্বের মামলা জিতে নেন ব্রিটনি। সম্প্রতি নিজের গানের পুরো ক্যাটালগ বিক্রি করে কিছুটা আলোচনায় এসেছিলেন ‘হিট মি বেবি ওয়ান মোর টাইম’ খ্যাত এই গায়িকা। জানুয়ারি মাসে ইন্সটাগ্রামে এক রহস্যজনক পোস্টে ব্রিটনি বলেছিলেন, তিনি অত্যন্ত সংবেদনশীল কারণে ‘আর কখনই যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে কনসার্ট করবেন না।’

এর আগেও আইনি সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন ব্রিটনি। ২০০৭ সালে ‘ধাক্কা মেরে পালিয়ে যাওয়া’র মামলায় জড়িত ছিলেন তিনি। পার্কিংয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িকে ধাক্কা মারে তার গাড়ি। ক্ষতিপূরণ দিয়ে সে সময়ে বিষয়টি মিটিয়ে নেন পপ তারকা।

১৯৯৯ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে নিজের প্রথম অ্যালবাম ‘বেবি ওয়ান মোর টাইম’ দিয়ে রাতারাতি সুপারস্টার বনে যান ব্রিটনি।

২৫ মিলিয়ন কপির বেশ বিক্রি হয় এই অ্যালবাম। পরের বছর মুক্তি পায় তার দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘উপস আই ডিড ইট এগেন’। এটিও ২০ মিলিয়ন কপির বেশি বিক্রি হয়। নতুন মিলেনিয়ামের শুরুতে ব্রিটনির হাত ধরে জনপ্রিয় হয় টিন পপ।