ইভ্যালির রাসেল-শামীমার বিরুদ্ধে মামলা

৩৩

অনলাইনে পণ্য বিক্রির নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

 

সোমবার (৩০ মার্চ) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানানো হয়।

 ৩১০ কোটি ৯৯ লাখ ১৩ হাজার ৪০৭ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে কাফরুল থানায় রোববার (২৯ মার্চ) মামলাটি করা হয়েছে।

সিআইডি জানায়, ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রাহকদের কাছ থেকে পণ্যের অর্ডার নিয়ে নির্ধারিত সময়ে সরবরাহ না করে অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে ইভ্যালির বিরুদ্ধে।

 

একই সঙ্গে বিভিন্ন মার্চেন্টের কাছ থেকে পণ্য নিয়ে মূল্য পরিশোধ না করার অভিযোগও রয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে আরও জানা যায় আত্মসাৎ করা অর্থ আসামিরা বিলাসবহুল গাড়ি কেনা, সম্পদ অর্জন, বিদেশ ভ্রমণসহ ভোগ-বিলাসে ব্যয় করেছেন বলে জানিয়েছে সিআইডি।

 

 

গ্রাহকদের বারবার নতুন ডেলিভারির তারিখ দিয়ে আশ্বস্ত করা হলেও শেষ পর্যন্ত পণ্য সরবরাহ করা হয়নি, যা স্পষ্ট প্রতারণার শামিল।

সিআইডি আরও জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে আরও জানা যায় যে, প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের মাধ্যমে হাজার হাজার গ্রাহক ও মার্চেন্ট প্রতারিত হয়েছেন।

 

সিআইডি এ ঘটনায় আরও গভীর তদন্ত চালিয়ে আত্মসাৎ করা অর্থের হদিস ও সহযোগীদের চিহ্নিত করার লক্ষ্যে মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

এরআগে ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে রাসেল ও শামীমাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দুজন জামিনে মুক্ত হন।

এ বছরের জানুয়ারি মাসে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

 

চেক প্রত্যাখ্যানের মামলায় মোহাম্মদ রাসেলকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে দুই মামলায় সাজা পরোয়ানা থাকায়।