সৌদিতে মিসাইল হামলায় নিহত মোশাররফের মরদেহ দেশে ফিরেছে

২৩

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি মোশাররফ হোসেনের (৩০) মরদেহ দেশে এসেছে।

আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে তাকে বহন করা সৌদি এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বেলা ১১টায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুর হক চৌধুরী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ মোশাররফ হোসেন বিমানবন্দরের ৮ নম্বর ফটকে আসেন। তারা মোশাররফ হোসেনের স্বজনদের সান্ত্বনা দেন। মরদেহ সংগ্রহের পর তারা দুজন গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন।

গত ৮ মার্চ মোশাররফ হোসেন সৌদি আরবে মিসাইলের আঘাতে নিহত হন। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের সখিপুরে। ৮ বছর আগে তিনি চাকরির সুবাদে সৌদিতে গিয়েছিলেন। দেশে তার বৃদ্ধ বাবা-মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে।

বেলা ১১টায় সরেজমিনে দেখা যায়, সৌদি আরবে মিসাইলের আঘাতে নিহত মোশাররফ হোসেনের মরদেহ সংগ্রহ করতে শাহজালাল বিমানবন্দরের ৮ নম্বর ফটকের সামনে উপস্থিত হয়েছেন তার স্বজনরা। এ সময় তারা মোশাররফ হোসেনের স্মৃতিচারণ করে কান্না করেন। তখন পর্যন্ত মোশাররফ হোসেনের মরদেহ বিমানবন্দর থেকে বের করা হয়নি।

মোশাররফ হোসেনের চাচা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমি সার্বিক তত্ত্বাবধান করে মোশাররফ হোসেনকে সৌদি পাঠিয়েছি। যাওয়ার পর মাঝে মাঝে তার সঙ্গে কথা হতো। এ অবস্থায় তার মৃত্যু খুবই কষ্টের। এ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সরকারের কাছে আহ্বান জানাই।

তিনি বলেন, মোশাররফ হোসেনের বাবা-মা বৃদ্ধ। তার দুটি ছেলে সন্তানও রয়েছে। তারা স্কুলে পড়ে। এখন তাদের স্কুলের পড়াশোনার খরচ চালাবে কী করে।

দেলোয়ার হোসেন আরও বলেন, মৃত্যুর ৩০ মিনিট আগেও মোশাররফ হোসেন তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। তখন ছেলেদের ঈদের জামা কিনে দিতে টাকা পাঠাবেন বলে জানান। কিন্তু ডিউটি অবস্থায় মিসাইল হামলায় তার সব শেষ হয়ে গেছে।