১৬ মার্চ খাল খনন কর্মসূচি‌র উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

২২

দেশজুড়ে নদী-নালা, খাল ও জলাশয় খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

এ কর্মসূচির মাধ্যমে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও জলাশয় খনন করা হবে। এটি বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ছিল।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। একই দিনে আরও ৫৪টি জেলায় সংশ্লিষ্ট জেলার মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসনকে সাথে নিয়ে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ কর্মসূচি হবে চার বছর মেয়াদি। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি অঙ্গীকার ঘোষণা অনুযায়ী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল আমরা খনন করব ইনশাআল্লাহ।’

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানিয়েছেন মীর শাহে আলম।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেটির ওপর জোর দিয়েছেন সেটি হচ্ছে যে খাল খননে যাতে সাধারণ মানুষ এবং শ্রমিকদের সম্পৃক্ত করা হয়। এক্সকাভেটর বা যন্ত্রাংশের মাধ্যমে খননটা যেন কম হয়। ৫০ পার্সেন্টের ওপর, কমপক্ষে ৬০ থেকে ৭০ পার্সেন্ট যাতে সাধারণ মানুষ এবং সাধারণ শ্রমিক তারা সম্পৃক্ত হয়ে এ খালটা খনন করা হয়।’

‘কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে এবং হাইস্কুল এবং কলেজ লেভেলের ছাত্র-ছাত্রীদেরও যাতে এ জাতীয় কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করা যায় এ ব্যাপারে উনি (প্রধানমন্ত্রী) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং সচিবদের নির্দেশনা দিয়েছেন।’

মীর শাহে আলম বলেন, ‘এটি রাজনৈতিক অঙ্গীকার, আর জনবান্ধব কর্মসূচি।’

এর আগে খাল খননের নামে বেশ কিছু লুটপাটের চিত্র আমরা দেখেছি- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই জন্যই তো আমরা জনসম্পৃক্ততা বাড়াচ্ছি, লেবার দিয়ে কাজ করানোর কথা বলছি। জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর কথা বলছি এবং মাঠে নিজে স্থানীয় মন্ত্রী এবং এমপিরা থাকবেন।’