সার্কের আরও শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

১৫

দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা- সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে সার্বিক সমর্থনের কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে একযোগে কাজ করারও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তিনি।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সার্কের মহাসচিব মো. গোলাম সারওয়ার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে সার্ক সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

সার্ক গঠনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণাটি প্রথম উত্থাপন করেন বাংলাদেশের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান—১৯৮০-এর দশকের শুরুতে। এর লক্ষ্য ছিল জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা, জীবনমান উন্নয়ন এবং সমষ্টিগত আত্মনির্ভরতা জোরদার করা। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ হিসেবে এবং ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশ, পরিবর্তিত আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সার্কের প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবদানের কথা স্বীকার করে।

তিনি আরও বলেন, সার্ক এখনো আঞ্চলিক অভিন্ন মূল্যবোধকে শক্তিশালী করছে এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সংযোগ, দারিদ্র্য বিমোচন, বিদ্যুৎ, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, সংস্কৃতি ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সার্কের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করা এবং এর কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি সার্ক সনদে বর্ণিত নীতিমালা—সার্বভৌম সমতা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সদস্য রাষ্ট্রসমূহের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণ—অনুসরণের বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।