মোস্তাফিজের বীরত্বে হারা ম্যাচ জিতল রংপুর, হতাশ ঢাকা

৩৮

রাজশাহীকে হারিয়ে চলমান বিপিএলে শুভসূচনা করেছিল ঢাকা ক্যাপিটালস। কিন্তু পরের তিন ম্যাচেই হোঁচট খায় রাজধানীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

চতুর্থ ম্যাচে রংপুরের বিপক্ষে জয়ের খুব কাছে থেকে খালি হাতে ফিরতে হয়েছে তাদের। শেষ ওভারে মোস্তাফিজের বলে ১০ রান করতে পারেনি সাব্বির-মিঠুনরা।

রোববার (৪ জানুয়ারি) আগে ব্যাট করতে নেমে ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল রংপুর। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান তুলতে পারে ঢাকা। এতে ৫ রানের জয় পায় রংপুর।

চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিলেন ঢাকার দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও আব্দুল্লাহ আল মামুন। দুজনের ব্যাটে ভর করে পাওয়ার প্লেতে ৫৩ রান তোলে ঢাকা। কিন্তু ইনিংস লম্বা করতে পারেননি কেউ।

২২ বলে ৩১ রান করে রহমানুল্লাহ গুরবাজ আউট হলে পরের ওভারে তাকে সঙ্গ দেন মামুন। এদিন ইনিংস বড় করতে পারেননি সাইফ হাসানও। ২৪ বলে ১৫ রান করে ক্যাচ হন তিনি। তবে  অপর প্রান্ত আগলে রেখে ৩২ বলে ফিফটি তুলে নেন মোহাম্মদ মিঠুন।

এতে শেষ ২৪ বলে ঢাকার লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৫ রান। ১৮তম ওভারে মাত্র ২ রান দিয়ে শামীমের উইকেট তুলে নিয়ে আশা জাগায় মোস্তাফিজ। ১৯তম ওভারে সাব্বির রহমান ১০ রান তুললে শেষ ওভারে তাদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১০ রান। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণী ওভারে সোহান বল তুলে দেন মোস্তাফিজকে।

অধিনায়কের ভারসার মূল্য দিয়েছেন মোস্তাফিজও। মাত্র ৫ রান খরচ করে দল জয় এনেদিয়েছেন তিনি। সাব্বির রহমান ৮ বলে ১২ এবং মিঠুন ৩৮ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জেতাতে পারেনি।

রংপুরের হয়ে কাইল মায়ার্স, আলিস আল ইসলাম, মোস্তাফিজ ও খুশদিল শাহ একটি করে উইকেট নেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ঢাকা ক্যাপিটালসের। ১১ বলে ১১ রান করে তৃতীয় ওভারে সাজঘরে ফেরেন কাইল মায়ার্স। ৬ বলে ৬ রান করে তাকে সঙ্গে দেন লিটন কুমার দাস।

এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি তাওহীদ হৃদয়। জিয়াউরের বলে ডাক আউট হন তিনি। এতে ৩০ রানেই ৩ উইকেট হারায় রংপুর। এরপর অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন ডেভিড মালান। কিন্তু ফিফটি তুলতে পারেননি তিনি।

১ ছক্কা ও ৩ বাউন্ডারিতে ৩৩ বলে ৩৩ রান করেন এই ইংলিশ ব্যাটার। কিন্তু অপর প্রান্ত আগলে রেখে ৪০ বলে ফিফটি তুলে নেন মাহমুদউল্লাহ। পরের বলেই ক্যাচ আউট হন তিনি। তবে বলে বলে বাউন্ডারি মেরে রান তুলতে পারেন খুশদিল শাহ।

শেষ পর্যন্ত নুরুল সোহানের ৭ বলে ৭ রান এবং খুশদিলের ২০ বলে ৩৪ রানের ক্যামিওতে ৫ উইকেটে ১৫৫ রানের লড়াকু পুঁজি পায় রংপুর।