সমুদ্রসৈকতে প্রতিমা বিসর্জনেও ‘ফিলিস্তিন মুক্তির’ প্রার্থনা

৩০

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে শারদীয় দুর্গোৎসবের বিদায়ের মুহূর্ত এবার ভিন্ন আবেগ ছুঁয়ে গেল ‘ফিলিস্তিন মুক্তির’ প্রার্থনা। সমুদ্র সৈকতের বিশাল বালিয়াড়ি হয়ে উঠে এক চিলতে প্যালেস্টাইন। 

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) পড়ন্ত বিকেলে কক্সবাজার সাগর-সৈকতের লাবনী পয়েন্টে ব্যতিক্রমী এই দৃশ্য চোখে পড়ে। 

দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজার বিসর্জনের সময় সৈকতের বালুচরে লাখো মানুষের সাথে কক্সবাজারের একদল তরুণ-তরুণী জানান দিলেন ক্ষুধার্ত-উপোস গাজাবাসী আমরাও আছি তোমাদের সঙ্গে। 

বিজয়ার আনন্দে মেতে ওঠা মানুষের ঢেউয়ের মাঝেই দাঁড়িয়ে ছিল একদল তরুণ-তরুণী, হাতে বিভিন্ন বার্তা সংবলিত প্ল্যাকার্ড। তাদের প্ল্যাকার্ডে লেখা— ‘বিজয়ার শুভেচ্ছা, ফ্রি প্যালেস্টাইন।’

তাদের একজন, অতসী দে বলেন, ‘বিজয়ার শুভেচ্ছার পাশাপাশি আমরা চাই বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা হোক। ফিলিস্তিনের মানুষ যেন স্বাধীনভাবে, নিরাপদে বাঁচতে পারে—এই বার্তাই আমরা দিতে এসেছি। 
 
তার সাথেই ছিলেন সংবাদকর্মী আবদু রশিদ মানিক। তিনি বলেন, এই বিজয়ার আনন্দে আমরা ধর্ম-বর্ণ ভুলে একত্রিত হয়েছি। আজ এখানে শুধু মানবতার জয়গান ধ্বনিত হচ্ছে। এই উৎসবকে আমরা ফিলিস্তিনের মুক্তির প্রার্থনার সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করছি। 

কক্সবাজার জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি উদয় শংকর পাল মিঠু বলেন, এবার দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শুধু ধর্মীয় সম্প্রীতি নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও প্রকাশ ঘটেছে এ আয়োজনের মাধ্যমে। বিদায়ের সুরে ফিলিস্তিনের মুক্তির প্রার্থনা আমাদের সমবেদনা ও সহমর্মিতার বহিঃপ্রকাশ।