৮০ কোটি টাকা কমে ২৫ হাজার টন অকটেন কিনছে সরকার

894551515 20250625 200408201
২৩

যুদ্ধ বন্ধ হলেও তা কিন্তু এখনও নিশ্চয়তা দিতে পারছে না কোনো পক্ষই। গত এক সপ্তাহের যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা বেড়েছে বহুগুণ। এরই মধ্যে তেলর দাম নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিচ্ছে। যদিও দেশে সেই প্রভাব এখনও পড়তে দেয়নি সরকার।

এরই মধ্যে ২৫ হাজার টন গ্যাসোলিন ৯৫ আনলেডেড (অকটেন) আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা এই অকটেন আনতে ব্যয় হবে ২০৮ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

বুধবার (২৫ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ২৪তম সভায় এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

বৈঠকের বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, হরমুজ প্রণালির কারণে কোনো প্রভাব পড়েনি। যুদ্ধের ভেতরেও জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে সাশ্রয় হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে যে প্রাইস ছিল সেটা, যুদ্ধ বন্ধের পর প্রাইস কমেছে। ইমিডিয়েটলি আমরা রিটেন্ডার করে ৫ থেকে ১০ ডলার কম পেয়েছি। সেখানে প্রায় ৭০-৮০ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। এটা এনার্জি মিনিস্ট্রির একটা ক্রেডিট। মরক্কো, তিউনিশিয়া থেকে আসা সারের দাম কিছুটা বেড়েছে। এখানে কোনো উপায় ছিল না।

এ বৈঠকে উপস্থাপন করা ৭টি প্রস্তাবই অনুমোদন দেওয়া হয়। এরমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৩টি, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে ৩টি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাব রয়েছে।

জানা গেছে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে জুন ২০২৫ মাসে ২৫ হাজার টন গ্যাসোলিন ৯৫ আনলেডেড (অকটেন) আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

ইন্দোনেশিয়ার পিটি বুমি সিয়াক পুসাকো জাপিন (বিএসপি) থেকে এই অকটেন আমদানিতে ব্যয় হবে ২০৮ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। প্রতি ব্যারেলের প্রিমিয়াম প্রাইস ৫.৯৩ মার্কিন ডলার এবং রেফারেন্স প্রাইস ৭৩.৬১০ মার্কিন ডলার।

এছাড়া জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে জিটুজি মেয়াদি চুক্তির আওতায় পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির লক্ষ্যে জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫ সময়ের প্রিমিয়াম ও রেফারেন্স প্রাইস অনুযায়ী ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে সরকার।