আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের দল ঘোষণা, ফিরলেন নেইমার

Neymar 2503061640
১৬

ফুটবল বিশ্বকাপ-২০২৬ এর বাছাইপর্বে চলতি মাসে আরও দুটি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। আগামী ২১ মার্চ ঘরের মাঠে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ও ২৬ মার্চ বুয়েন্স এইরেসে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। এই দুটি ম্যাচকে সামনে রেখে আজ বৃহস্পতিবার (০৬ মার্চ, ২০২৫) দল ঘোষণা করেছে ব্রাজিল। আর সেই দলে ১৬ মাস পর ফিরেছেন নেইমার দ্য সিলভা জুনিয়র।

নেইমার অবশ্য ব্রাজিলের বিশ্বকাপ বাছাপর্বের প্রথম চার ম্যাচে খেলেছিলেন। সবশেষ খেলেছিলেন ২০২৩ সালের অক্টোবরে উরুগুয়ের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে অবশ্য ব্রাজিল হেরেছিল এবং নেইমার ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছেড়েছিলেন। এরপর ইনজুরির কারণে গেল ১৬ মাসে তার আর সুযোগ হয়নি জাতীয় দলে। অবশেষে আবার ডাক পেলেন তিনি।

যদিও দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের পয়েন্ট টেবিলে শক্ত অবস্থানে নেই পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। বাছাইপর্বের ১৮ ম্যাচের ১২টি ইতোমধ্যে খেলে ফেলেছে তারা। ১০ দলের গ্রুপে তারা অবস্থান করছে পঞ্চম স্থানে। অবশ্য সপ্তম স্থানে থাকা বলিভিয়ার চেয়ে সেলেসওরা এগিয়ে আছে পাঁচ পয়েন্টে। কনমেবল অঞ্চল থেকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ ছয়টি দল সরাসরি জায়গা করে নিবে বিশ্বকাপে।

নেইমার গেল মাসে বলেছিলেন ব্রাজিলের হয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ হবে তার শেষ। সেই পর্যন্ত তার বয়স হবে ৩৪। সাবেক বার্সা তারকা এ পর্যন্ত ৭৯ গোল করে ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে আছেন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে সৌদি আরবের ক্লাব আল হিলাল ছেড়ে যোগ দিয়েছেন শৈশবের ক্লাব সান্তোসে। সেখানে যোগ দিয়ে ১৪ মাস পর গোলও পেয়েছিলেন তিনি। যা ছিল ক্লাবের হয়ে তার ১৩৭তম গোল (২২৯ ম্যাচে)। তার গোলে ভর করে সান্তোস পেয়েছিল ৩-১ ব্যবধানের জয়। সান্তোসের হয়ে এ পর্যন্ত ৭ ম্যাচ খেলে নেইমার গোল করেছেন ৩টি, অ্যাসিস্ট করেছেন ৩টি এবং ম্যাচসেরা হয়েছেন ৪টি ম্যাচে।

নেইমারের বিষয়ে কোচ ডোরিভাল জুনিয়র বলেছেন, ‘‘সে সান্তোসে দুটি ম্যাচে পুরো ৯০ মিনিট খেলেছে। এর পাশাপাশি, কিছু ম্যাচের শেষের দিকে তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। আমরা ম্যাচগুলো সামনে রেখে তার পারফরম্যান্স নজরদারি করব।’’

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের পরবর্তী দুই ম্যাচের ব্রাজিল দল:

গোলরক্ষক: অ্যালিসন, বেন্তো ও এডারসন।

রক্ষণভাগ: ভেন্ডারসন, ওয়েসলি, লিও ওর্টিজ, দানিলো, গ্যাব্রিয়েল মাগালহাস, মারকুইনহোস, মুরিলো ও গিলের্মে আরানা।

মধ্যমাঠ: আন্দ্রে, ব্রুনো গুইমারায়েস, গারসন ও জোয়েলিনটন।

আক্রমণভাগ: নেইমার, এসতোভো, জোয়াও পেদ্রো, রাফিনহা, রদ্রিগো, ভিনিসিউস জুনিয়র, সাভিনহো ও ম্যাথিউস কুনহা।