পিটিআইয়ের বিক্ষোভ ঠেকাতে ইসলামাবাদে ১৪৪ ধারা

Image 343830
২৩

পাকিস্তানে গত ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে আজ (শনিবার) দেশজুড়ে বিক্ষোভ করবে ইমরান খানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। বিক্ষোভে অংশ নেবে জামায়াত-ই-ইসলামীও (জেআই)। তবে এই বিক্ষোভ ঠেকাতে দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে ১৪৪ ধারা জারি করেছে পুলিশ। খবর ডনের।

শনিবার এক এক্স বার্তায় ইসলামাবাদ পুলিশ বলেছে, পিটিআইয়ের দেশব্যাপী বিক্ষোভ শুরুর আগে ‘হাই অ্যালার্ট’-এ রয়েছেন তারা। এরই অংশ হিসেবে রাজধানীতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

বিবৃতিতে পুলিশ বলেছে, এফ-৯ পার্কের কাছাকাছি ট্রাফিক বাড়তে পারে এবং জনসাধারণকে সেখানে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগের বিশেষ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও জেলাজুড়ে টহল বাড়ানো হয়েছে এবং চেকপয়েন্টগুলোতে চেকিং কঠোর করা হয়েছে।

এর আগে শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভের ডাক দেয় পিটিআই। শুক্রবার নির্বাচনের ফলাফল কারচুপির প্রতিবাদে দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পিটিআই চেয়ারম্যান গহর আলী খান।

এছাড়াও একই দাবিতে প্রতিবাদে থাকা ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, জমিয়ত-উলেমা-ই-ইসলাম-ফজল, আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টি, জামায়াত-ই-ইসলামী, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট- এনডিএমসহ অন্যান্য আঞ্চলিক দলগুলোকে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পিটিআই।

উল্লেখ্য, রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন সব আসনের ফলাফল প্রকাশ করে। যেখানে ইমরান খানের পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৯৬টি আসনে জিতেছেন। নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ (পিএমএল-এন) ৭৫টি আসনে জয় পেয়েছে। বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টি ৫৪টি আসনে জয় পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। করাচিভিত্তিক দল মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট (এমকিউএম) ১৭টি আসনে জিতেছে।

পিটিআইয়ের দাবি, তারা একক দল হিসেবে ১৭০টির বেশি আসন নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাদের আসন কমানো হয়েছে। তাই রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘ভোট চুরির’ অভিযোগে ইমরান খানের দল পিটিআই নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করে রাখার কর্মসূচি দেয়।