পূর্বের সব রেকর্ড ভাঙল পাগলা মসজিদ

Image 251222 1702139750
২৬

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে এবার রেকর্ড পরিমাণ টাকা পাওয়া গেছে। তিন মাস ২০ দিন পর ৯টি দানবাক্স খোলার পর গণনা শেষে মিলেছে ৬ কোটি ৩২ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ টাকা।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ২৩টি বস্তায় মিলেছে এ বিশাল অংকের অর্থ। নগদ টাকার পাশাপাশি রয়েছে বিদেশি মুদ্রা, স্বর্ণ ও রৌপ্যালংকার। যা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে বলে জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।

এর আগে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখের উপস্থিতিতে সকাল সাড়ে ৭টায় মসজিদের ৯টি দানবাক্স খুলে গণনার কাজ শুরু হয়। রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানার দুই শতাধিক আলেম, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা গণনায় অংশ নেন।

পাগলা মসজিদে আটটি দানবাক্স থাকলেও এবার একটি বাক্স বাড়ানো হয়। দানের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় দানবাক্সের সংখ্যা এখন ৯।

জেলা প্রশাসক ও মসজিদ কমিটির সভাপতি বলেন, সর্বশেষ ১৯ আগস্ট মসজিদের আটটি দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন ২৩ বস্তায় রেকর্ড পাঁচ কোটি ৭৮ লাখ ৯ হাজার ৩২৫ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা, সোনার গয়না ও হীরা পাওয়া গিয়েছিল। এবার ৬ কোটি ৩২ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ টাকা পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, দান থেকে পাওয়া অর্থ সংশ্লিষ্ট মসজিদসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানার পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় হয়।