অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় বাংলাদেশ চ্যান্সারি ভবন হবে

১৮

স্টাফ রিপোর্টার:জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে দুই হাজার ৬০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় হবে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় বাংলাদেশ চ্যান্সারি ভবন নির্মাণ। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ১৪৭ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।

প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ সভায় সভাপত্বি করেন।

শেরেবাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের প্রকল্পগুলো অনুমোদনের বিষয়ে জানান,অনুমোদিত ১০টি প্রকল্পের মধ্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প রয়েছে। এগুলো হচ্ছে ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়কে তিনটি আন্ডারপাস ও পদুয়ার বাজার ইন্টারসেকশনে ইউলুপ নির্মাণ ও ময়মনসিংহ জেলা মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় বাংলাদেশ চ্যান্সারি ভবন নির্মাণ’ প্রকল্প অনুমোদনের জন্য তোলা হচ্ছে। ১৪৭ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে ক্যানবেরায় বাংলাদেশ হাইকমিশন।

মন্ত্রী বলেন,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ‘ইনস্টিটিউট অব টিস্যু ব্যাংকিং অ্যান্ড বায়োমেটেরিয়াল রিসার্চের সেবা ও গবেষণা সুবিধাদির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ৬৪টি জেলায় মহিলা কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রকল্প। এটি বাস্তবায়ন করবে জাতীয় মহিলা সংস্থা। স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ,স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ শিশু কার্ডিওলজি ও শিশু কার্ডিয়াক সার্জারি ইউনিট স্থাপন’ প্রকল্প। এটি বাস্তবায়ন করবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের ‘দেশের দক্ষিণাঞ্চলে আয়রন ব্রিজ পুনর্নির্মাণ বা পুনর্বাসন’ প্রকল্প। এটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। পদ্মা বহুমুখী সেতুর ভাটিতে মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং ও টঙ্গীবাড়ী উপজেলাধীন বিভিন্ন স্থানে পদ্মা নদীর বাম তীর সংরক্ষণ’ প্রকল্প। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো)। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ‘প্রত্যাগত অভিবাসী কর্মীদের পুনঃ একত্রীকরণের লক্ষ্যে অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মসংস্থান সৃজনে সহায়ক’ প্রকল্প। এটি বাস্তবায়ন করবে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঠাকুরগাঁও বিসিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পনগরী প্রকল্। এটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)।

সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান,কৃষিমন্ত্রী ড. মো.আব্দুর রাজ্জাক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ,স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো.তাজুল ইসলাম,শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি,শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন,স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি,মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম, পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীগণ সভার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।