মুমিনুলের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ইতিবাচক : ইমরুল

২৩

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ঢাকা টেস্টের জন্য যখন স্কোয়াড ঘোষনা করা হয় তখন ১৪ জনের তালিকায় ছিলেন না মুমিনুল হক। পরদিন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের পরিবর্তে মুমিনুল স্থান পান ঢাকা টেস্টের স্কোয়াডে। টেস্টে মুমিনুলের জায়গায় খেলছেন ইমরুল কায়েস। মুমিনুল ফেরায় নিঃসন্দেহে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি হয়েছে। তবে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাটিকে ইতিবাচকভাবে দেখেন ইমরুল।

আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে ইমরুল কায়েসকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘এটা পজেটিভ দিক। টিমে হেলদি কম্পিটিশন থাকলে সেটা ভালো। কম্পিটিশন বেশি থাকলে ম্যানেজমেন্ট সবচেয়ে ভালো জনকে খেলানোর জন্য বেছে নিতে পারে। আমি বলব এটা একটা ভালো দিক দলের জন্য। এবং তারা পারফর্মও করবে।’

তিন নম্বরে ব্যাটিং করার বিষয়ে জানতে চাইলে ইমরুল বলেন, ‘দেখেন সবশেষ একটা টেস্ট ম্যাচ, যেটা শ্রীলঙ্কায় খেলেছি। সেখানেও কিন্তু আমি তিনে ব্যাটিং করেছি। আমি আসলে কোচের সাথে কথা বলছি। কোচ আমাকে বলেছেন তিনে ব্যাটিং করার জন্য। নেটে সেভাবেই ব্যাটিং করছি। এ ছাড়া ঘরোয়া ক্রিকেটেও তিন নম্বরে ব্যাটিং করেছি। ওপেনার থেকে তিন নম্বরে ব্যাটিং করা কঠিন, তবে এডজাস্ট করতে হচ্ছে।’

তামিম ইকবালের সঙ্গে সফল ওপেনিং জুটির অংশ হয়েও তিনে ব্যাটিং করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যখন ব্যাটিংয়ে নামার জন্য প্যাড পরে বসে থাকি, তখন নিজের মধ্যে অস্থিরতা কাজ করে, কখন মাঠে যাব। এটা আসলে এডজাস্ট করে নিতে হয়। তামিমকে যদি দেন, ও পারবে না। একটা সময় আমিও পারতাম না। তারপরও এডজাস্ট করতে হচ্ছে। দলের জন্য, দলের প্রয়োজনে খেলতে হচ্ছে।’

ওপেনিং থেকে তিনে নামা দুর্ভাগ্যজনক কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে ইমরুল বলেন, ‘ না। আমি মনে করি জাতীয় দলের হয়ে ম্যাচ খেলাই সবচেয়ে বড় অর্জন। নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি। ব্যাটিংয়ের জায়গা নিয়ে নিজের পছন্দ থাকে। কিন্তু দল যেটা ভালো মনে করে সেটাই করতে হবে। আমার মনে হয়, দুই জায়গায়ই আমি ব্যাটিং করতে রাজি; ওপেনিং বা তিন নম্বর যাই হোক। আসলে দেখেন নতুন বলে ব্যাটিং করতে গেলে সুবিধা যেমন আছে, অসুবিধাও তেমন আছে। যেমন বোলার জানে না এই ব্যাটসম্যানের স্ট্রেংথ কি। তেমনি ব্যাটসম্যানও জানে না বোলার কী করবে। কিন্তু ওয়ান-ডাউনে ব্যাটিং করতে এলে, বোলার সাবধান হয়ে যায়। তার লাইন লেন্থ ঠিক করে ফেলে। আমি মনে করি তিনে ব্যাটিং করার সুবিধাই বেশি। কারণ বিশ্বের অনেক সেরা ব্যাটসম্যান তিনে খেলে সফল হয়েছেন।’