শেষ পর্যন্ত বার্সেলোনাই চ্যাম্পিয়ন

২৯

প্রিয়আলো,13174059_1092490307440740_3880510837435131932_n মোহাম্মদ নুরুল করিমঃ লুইস সুয়ারেজ এর হ্যাটট্রিকে গ্রানাডা কে ০-৩ গোলে হারিয়ে লা লীগা শিরোপা জিতলো মেসি নেইমারদের বার্সেলোনা ।

লা লীগার শিরোপা নির্ধারণ হয়ে যেতো পারতো তিন রাউন্ড আগেই কারণ লীগের ঊনত্রিশ রাউন্ড শেষে রিয়াল মাদ্রিদ থেকে বার্সেলোনা এগিয়ে ছিলো এগারো পয়েন্টে । কিন্তু টানা চার ম্যাচে এক ড্র আর তিন পরাজয়ে বার্সেলোনা নিজেই জমিয়ে তোলে লা লীগার নাটক ।

সমিকরণ ছিলো পরবর্তী পাচ ম্যাচের সব গুলো জিততে হবে , আর এই পাচ ম্যাচে প্রতিপক্ষকে গোল বন্যায় ভাসিয়ে দিয়েই যোগ্য দল হিসেবে শিরোপা জিতে নিলো বার্সেলোনা । এই পাচ ম্যাচে বার্সেলোনা গোল করে ২৪ টি যার মধ্যে ১৪ গোল করে সুয়ারেজ ।

গত দশ বছরে এটা ছিলো বার্সেলোনার অষ্টম লীগ শীরোপা , ক্লাব ইতিহাসে ২৪ তম লীগ শিরোপা ।

এই মৌসুমে বার্সেলোনা অপরাজিত থাকে টানা ৩৯ ম্যাচ । ট্রেবল জয়ের পথে দূর্দান্ত ভাবেই এগুচ্ছিলো লুইস এনরিকে বাহিনী কিন্তু এপ্রিল মাসের একটা ঝড় বার্সেলোনার ট্রেবল জয়ের স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দেয় ।

চ্যাম্পিয়ন্স লীগের কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে যায় এথলেটিকো মাদ্রিদ এর সাথে এবং হুমকির মুখে পড়ে যায় লা লীগা শিরোপা । সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ায় বার্সেলোনা , জিতে নেন লীগ শিরোপা ।
কোপা দেল রের ফাইনালে সেভিলার সাথে মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা এ মাসে। কোপা জিতলে ট্রেবল এর পরিবর্তে ডাবল জয় হবে বার্সেলোনার । গত বছর দলটি জিতেছিল ট্রেবল সহ পাচটি শিরোপা ।

বার্সেলোনার শীরোপা জয়ের নায়ক নিঃসন্দেহে লুইস সুয়ারেজ । গত এক দশক লা লীগার সর্বোচ্চ গোলদাতার আসন টা ছিলো মেসি অথবা রোনাল্ডোর । এই বছর দুই জনকে পিছনে ফেলে ৪০ গোল করে হয়ে যায় লীগের সর্বোচ্চ গোল দাতা ।

সুয়ারেজ যদি নায়ক হয় তবে এবছর পার্শ্ব নায়ক বলা যায় মেসি আর নেইমার কে ।
সুয়ারেজ এর গোলের যোগান এসেছে এই দুজনের পাস থেকে । তাছাড়া নেইমার করেন ২৪ গোল আর মেসি করেন ২৬ গোল । যদিও মেসি সিজনের শুরুতে ইনজুরির জন্য কয়েকটা ম্যাচ খেলতে পারে নি । এই ল্যাটিন ত্রিফলার মোট গোল সংখ্যা ৮০ টি ।